অবশেষে আইপিএল হচ্ছে এবং এ বছরই। আসন্ন সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে এবারের স্থগিত আসরের বাকি ম্যাচগুলো মাঠে গড়াবে। তবে ভারতে নয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতে। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার মরুর দেশটিতে আইপিএল হচ্ছে। অবশ্য করোনার কারণে ভারত থেকে আইপিএল সরিয়ে নেওয়ার কথা বলছে না বিসিসিআই। শনিবার দেশটির ক্রিকেট বোর্ড জানায়, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর বৃষ্টির মৌসুম। নির্বিঘেœ ম্যাচগুলো পরিচালনার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
এ বছর আইপিএল থমকে যায় ৪ মে। তার আগেই দলগুলোর সুরক্ষা বলয় ভেঙে যায়। ক্রিকেটার ও দলের স্টাফরা করোনা আক্রান্ত হতে শুরু করলে আইপিএল স্থগিত করা ছাড়া উপায় ছিল না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের। এরপর আসরটি পড়ে যায় অনিশ্চয়তায়। এ বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ভারতের ইংল্যান্ড সফরের কারণে টুর্নামেন্টের বাকি অংশ আয়োজনের জন্য খালি জায়গা মিলছিল না। রব উঠে ইংল্যান্ডে পাঁচ টেস্টের সিরিজ এক সপ্তাহ এগিয়ে নেওয়ারও আবেদন করে বিসিসিআই। কিন্তু ইংলিশ ক্রিকেট বোর্ড এ খবরের সত্যতা অস্বীকার করে। তাই আগের সূচি অনযায়ী ১০ সেপ্টেম্বর সিরিজের শেষ টেস্ট মাঠে গড়াচ্ছে। এরপরই যত দ্রুত সম্ভব আইপিএল শুরুর চেষ্টা করবে ভারত। ১৮ অক্টোবর থেকে তাদের মাটিতেই বিশ্বকাপের আসর হওয়ার কথা। নিজের দেশে বিশ্বকাপ নিয়েও শঙ্কা আছে ভারতের করোনা পরিস্থিতির কারণে। আইপিএল যদি আয়োজন করতেই হয় তবে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের ওই এক মাসেই বাকি ৩১ ম্যাচ শেষ করতে হবে বিসিসিআইকে।
আইপিএল মাঠে গড়ানোর সুখবর এলেও দুঃসংবাদ আছে। বাংলাদেশ সফরের জন্য ইংলিশ ক্রিকেটারদের আসরের বাকি অংশে না খেলার ঘোষণা দিয়েছে ইসিবি। তাই ইংলিশ ক্রিকেটারদের ছাড়াই হবে আইপিএলের ১৪তম আসর। এ ছাড়া উন্ডিজ ক্রিকেটারদের না পাওয়ারও সম্ভাবনা আছে। কারণ, আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ হবে।
করোনার কারণে স্থগিত হওয়ার আগে এবার শেষ হয়েছে ২৯ ম্যাচ। ৩০তম ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্স-রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু লড়াই হতে পারেনি। ওই পর্যন্ত ৮ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে আছে দিল্লি ক্যাপিটালস। তাদের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলা চেন্নাই ২ পয়েন্টে পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। সমান ম্যাচে বেঙ্গালুরুর সমান পয়েন্ট হলেও নেট রানরেটে পিছিয়ে তারা।
