মেঘনায় বাল্কহেড ডুবি: দুই শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট : ১০ জুন ২০২১, ০৭:২০ পিএম

চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে বালুভর্তি এমভি মক্কা মদিনা-৩ নামের বাল্কহেড ডুবির ১২ ঘণ্টা পরে নিখোঁজ দুই শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার সময় উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা নিখোঁজ শ্রমিক মো. মিজানুর রহমান ও সাজু সিকদারের মরদেহ উদ্ধার করেন।

এর আগে বুধবার মধ্যরাতে মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর এলাকায় মেঘনা নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় আরও দুই শ্রমিক মো. মহিউদ্দন ও নাঈম শিকদার সাঁতরে তীরে উঠে প্রাণে রক্ষা পান।

এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নিখোঁজ শ্রমিকদের উদ্ধারে নদীতে অভিযান চালান কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

বাল্কহেডে থাকা শ্রমিকদের প্রত্যেকের বাড়ি বরগুনা জেলার তালতলি উপজেলায়।

পুলিশ জানায়, বুধবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশ্যে চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসা বালুভর্তি বাল্কহেডটি রাতে মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর এলাকায় মেঘনা নদীতে নোঙর করে। মধ্যরাতে হঠাৎ করে বাল্কহেডটি পানিতে ডুবে যায়। এ সময় ছাউনির উপড়ে থাকা দুই শ্রমিক সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও ভেতরে ঘুমিয়ে থাকা দুজন পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়।

মোহনপুর নৌফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ওয়াহিদ্দুজ্জামান বলেন, সকার থেকে নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালায়। দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা পরে আমরা নিখোঁজ দুই শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করতে সমর্থ হই।

তিনি আরও বলেন, আইনানুগ ব্যবস্থা শেষে মরদেহ দুটি তাদের স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হবে।

চাঁদপুর নৌ অঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বলেন, বালিভর্তি থাকায় এমনিতেই বাল্কহেডটি পানিতে অর্ধনিমজ্জিত ছিল। বুধবার রাত আনুমানিক ১টা-২টার সময় পুরোটা ডুবে যায়। ধারণা করছি নদীতে বয়ে যাওয়া বাতাস ও ঢেউয়ের কারণে পানিতে ডুবে থাকতে পারে।

তিনি জানান, নিখোঁজ শ্রমিকদের উদ্ধারে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। তবে এখনো পর্যন্ত কারও সন্ধান পাওয়া যায়নি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত