কুষ্টিয়ায় ২৪ ঘণ্টায় ১৫৬জনের করোনা শনাক্তের রেকর্ড

আপডেট : ১৮ জুন ২০২১, ১১:৩১ পিএম

সীমান্তবর্তী জেলা কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৯৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় রেকর্ড ১৫৬ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪০ শতাংশ।

গত ১০দিনে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৬৬৬ জনে এবং মৃত্যুর সংখ্যা ২১ জন। তবে করোনার লক্ষণ নিয়ে মারা গেছেন আরও ২৯জন। গত বছরের এপ্রিল থেকে জেলায় অদ্যাবধি শনাক্ত হওয়া মোট করোনা রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ৬৩ জন এবং মৃত্যুর সংখ্যা ১৪০ জন। তবে শনাক্ত হয়নি কিন্তু করোনার লক্ষণ নিয়ে মারা যাওয়া রোগীর সংখ্যা দ্বিগুণ হবে বলে সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়। 

এদিকে, কুষ্টিয়া পৌরসভায় চলমান ৭ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ শেষ হচ্ছে শুক্রবার মধ্যরাতে। আর কুষ্টিয়ার মিরপুর পৌরসভা এলাকায় ৭দিনের কঠোর বিধিনিষেধের দ্বিতীয় দিন চলছে আজ।

জেলায় করোনা সংক্রমণ প্রতিদিনই আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেলেও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না মানুষের চলাচল। স্বাস্থ্যবিধি মানছে না মানুষ। পুলিশ শহরে ঢোকার প্রবেশ মুখে সড়কে বাঁশ বেঁধে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মাত্র।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. তাপস কুমার সরকার জানান, ঈদের পর থেকে জেলায় উদ্বেগজনক হারে সংক্রমণ বেড়ে চলেছে। গত ১০ দিনে জেলায় ৬৬৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। অধিকাংশ রোগীই কুষ্টিয়া শহরকেন্দ্রিক। করোনা চিকিৎসার একমাত্র প্রতিষ্ঠান ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে। সক্ষমতার আয়োজন অনেকটাই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জেলার সিভিল সার্জন ডাক্তার এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম জানান, বারবার জেলায় সম্পূর্ণ লকডাউনের পরামর্শ দিয়ে আসলেও জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বাধীন করোনা প্রতিরোধ কমিটি তা গুরুত্বসহকারে আমলে নেননি। এছাড়া মাঠ পর্যায়েও বিধিনিষেধসহ স্বাস্থ্যবিধি কার্যকরে প্রশাসনকে তেমন তৎপর হতেও দেখা যায়নি।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক সাইদুল ইসলাম জানান, জেলার সকল শ্রেণির প্রতিনিধিত্বশীল মানুষের সাথে আলোচনা করে খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কঠোর লকডাউন কার্যকর করার বিষয় নিয়ে।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত