বাড়ির সীমানায় বেড়া দেওয়ায় নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী, মেয়ে ও নাতিকে দুই দফায় মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনার পর রাতে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে। এর আগে ৪ জুলাই মারধর করা হলে থানায় অভিযোগ দেন মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী। গতকাল শুক্রবার এ বিষয়ে দুই দফা অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেন কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ।
অভিযুক্তরা হলো অঞ্জন মিয়া (৩০), আজমল (২৩), আবদুল ওয়াহাব (৫৫), মন্টু মিয়া (২৭), জুয়েল মিয়া (৩৪), রুনা (২৬), রফিকুল ইসলাম (৫০), নুরুন্নাহার (২৮), পলাশ মিয়া (২২)। তারা সবাই উপজেলার রামনগর (টাকরাপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা এবং প্রতিবেশী।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বসতবাড়ির সীমানায় বাঁশের কঞ্চি দিয়ে বেড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঝগড়ায় ৪ জুলাই মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে নাজমা বেগম ও তার মা জোছনা বেগমকে (৬৫) মারধর করে পাশের বাড়ির লোকজন। মেয়ে ও স্ত্রীকে মারধরের ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী বাদী হয়ে থানায় এজাহার দেন। পরে আসামিরা গ্রামে সালিশের আয়োজন করে। এতে মুক্তিযোদ্ধার পক্ষ না আসায় গত বৃহস্পতিবার আবার নাজমা বেগমের ১১ বছর বয়সী ছেলে মুক্তিযোদ্ধার নাতি আবিরকে নির্দয়ভাবে মারধর করে তারা। এ সময় নাজমা এগিয়ে এলে তার কাপড়চোপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানিসহ স্বর্ণালঙ্কার লুটপাট ও মারধর করে প্রতিপক্ষ। পরে প্রতিবেশীরা তাদের হাসপাতালে নিয়ে যান।
কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, দুই ঘটনারই তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
