খুলনায় সংরক্ষিত মহিলা সদস্যকে মারধর করার অভিযোগে তেরখাদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় বারাসাত ইউপি চেয়ারম্যান কেএম আলমগীর হোসেনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রবিবার সকাল ১০টার দিকে খুলনা সদর থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার অন্য দুজন হলেন মিল্টন মুন্সি (৪৫) ও সোহাগ মুন্সি (৩৪)। এর আগে গত ২৮ জুলাই বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন একই ইউনিয়নের ৪, ৫, ৬ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য রিনা বেগম। পরে আসামিরা জামিনে বের হয়ে আসেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ২৮ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনা থানাধীন জেলখানাঘাটে টোল প্লাজার সামনে রিনা বেগমকে মারধর করেন চেয়ারম্যান কেএম আলমগীর হোসেনসহ ওই ব্যক্তিরা। এছাড়া তারা ওই নারী মেম্বারের কাছে থাকা ১৫ হাজার ২০০ টাকা লুট করে নেন।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান আল-মামুন বলেন, গতকাল সকাল ১০টার দিকে ইউপি চেয়ারম্যান কেএম আলমগীর হোসেনসহ তিনজন খুলনা থানায় হাজির হলে তাদের গ্রেপ্তার এবং পরে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
ইউপি চেয়ারম্যান কেএম আলমগীর হোসেন বলেন, ‘গতকাল সকালে খুলনা থানায় খোঁজ নিতে এলে পুলিশ আমাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। এরপর খুলনা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন প্রার্থনা করলে জামিন দেওয়া হয়। আমার সম্মান নষ্ট করার জন্য ওই মহিলা এ জঘন্য কাজ করেছেন। আমি আল্লাহর ওপর এ বিচারের দায়িত্ব দিলাম। তিনি এর ফয়সালা করবেন।’
