অনেক বিতর্ক ও মেয়ের অভিযোগের পর ব্রিটনি স্পিয়ার্সের তত্ত্বাবধায়ক বা কনজারভেটরের দায়িত্ব থেকে সরতে রাজি হয়েছেন বাবা জেমি স্পিয়ার্স।
যুক্তরাষ্ট্রের মিডিয়ার বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে বিবিসি।
১৩ বছর আগে মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতির কারণে আদালত ব্রিটনির নিয়ন্ত্রণ তার বাবার ওপর দেয়।
আদালত নির্দেশিত চুক্তি মোতাবেক জেমি মেয়ের সম্পত্তি ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ন্ত্রণের অধিকার পান। কিন্তু ব্রিটনি ‘দায়িত্বের অপব্যবহারের’ অভিযোগ এনে পরবর্তীতে জেমিকে সরানোর দাবি তোলেন।
জেমি বারবারই মেয়ের অভিযোগ অস্বীকার করেন। জানান, ব্রিটনির ভালোর জন্য সব সিদ্ধান্ত নিয়েছে তিনি।
এমনকি ভক্তরা ‘ফ্রি ব্রিটনি’ হ্যাশট্যাগে প্রচার শুরু করে। যাতে সায় আছে অনেক নামি তারকার।
চলতি বছর ‘ফ্রেমিং ব্রিটনি স্পিয়ার্স’ নামের এক প্রামাণ্যচিত্রে গায়িকার অভিভাবকত্ব নিয়ে বিতর্ক খুব খোলামেলাভাবে ওঠে আসে।
মাস খানের আগে ৩৯ বছরের গায়িকা বিচারকের কাছে অভিযোগ করেন, তাকে মাদকাসক্ত করা হয়েছিল, ইচ্ছার বিরুদ্ধে পারফর্ম করতে বাধ্য করা হয় এবং গর্ভধারণে বাধা দেওয়া হয়।
২০১৯ সালে স্বাস্থ্যগত কারণে মেয়ের ব্যক্তিগত তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্ব ছেড়ে দেন জেমি। তবে সম্পত্তির দেখভালের দায়িত্ব তার হাতেই ছিল। কিন্তু সেখান থেকেও সরাতে গত জুলাইয়ে আবেদন করেন গায়িকা।
তখন ব্রিটনি জানান, বাবা দায়িত্বে থাকলে তিনি আর পারফর্ম করতে পারবেন না।
জেমির আইনজীবী বৃহস্পতিবার জানান, তার মক্কেলের পিছিয়ে যাওয়ার কোনো প্রকৃত ভিত্তি নেই। কিন্তু তার বিরুদ্ধে অযাচিত আক্রমণ করা হচ্ছে।
তবে ব্রিটনির আইনজীবী বলছেন, জেমির দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া তার মক্কেলের জন্য বড় একটি বিজয়। যা ন্যায় বিচারের দিকে আরেকটি অগ্রগতি।
একাধিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সাল থেকে নিজের ওপর থেকে অভিভাবকত্ব হারান ব্রিটনি স্পিয়ার্স। তখন জেমি স্পিয়ার্স আনুমানিক ৬ কোটি ডলার সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পান। গায়িকার অসুস্থতার কারণে আদালত থেকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিষয়টি মানতে না পারায় ২০১৭ সাল থেকে পারফর্ম করছেন না ব্রিটনি।
