ব্রিটেনের এমা রাদুকানুর বয়স ১৮। আর কানাডার লেয়লা ফার্নান্দেজের ১৯। দুজনই মেয়েদের টেনিস দুনিয়ায় অখ্যাত। আজ বাংলাদেশ সয়ম রাত ২টা ৩০ মিনিটে নিউ ইয়র্কের ফ্ল্যাশিং মিডোয় এ দুই ‘টিনএজার’ লড়বেন ইউএস ওপেনের নারী এককের ফাইনালে। বছরের শেষ গ্র্যান্ড সø্যামের ট্রফিটা যিনিই জিতুন, ইতিহাস গড়বেন তিনি।
টেনিসে ওপেন যুগ শুরু হওয়ার পর আগে কখনো গ্র্যান্ড সø্যাম ফাইনালে দুজন অবাছাই খেলেননি। আরও একটা ইতিহাস আছে। ১৯৯৯ সালের পর এই প্রথম কোনো গ্র্যান্ড সø্যামের ফাইনালে খেলছেন দুই টিনএজার। ২২ বছর আগে ইউএস ওপেনের ফাইনালে ১৭ বছরের সেরেনা উইলিয়ামস হারিয়েছিলেন ১৮ বছরের মার্টিনা হিঙ্গিসকে। ওপেন যুগ শুরুর পর মাত্র সাত টিনএজার জুটি গ্র্যান্ড সø্যাম ফাইনাল খেলেছে। এটা টিনএজারদের অষ্টম গ্র্যান্ড সø্যাম ফাইনাল। বৃহস্পতিবার রাদুকানু সেমিফাইনালে ১৭তম বাছাই গ্রিসের মারিয়া সাকারিকে ৬-১, ৬-৪ গেমে হারিয়ে ১৯৭৭-এ ভার্জিনিয়া ওয়েডের পর প্রথম ব্রিটিশ নারী হিসেবে গ্র্যান্ড সø্যামের ফাইনালে ওঠেন। বাছাই থেকে সেমিফাইনাল ৯ ম্যাচে একটিও সেট হারেননি। রাদুকানু এই মুহূর্তে টেনিসের বিশ্ব র্যাংকিংয়ে ১৫০ নম্বরে রয়েছেন। র্যাংকিংয়ের প্রথম ১০০-র বাইরে থাকা দ্বিতীয় নারী হিসেবে রাদুকানু ইউএস ওপেনের ফাইনালে উঠেছেন। ২০০৯ সালে কিম ক্লিস্টার্স র্যাংকিংয়ের ১০০-র বাইরে থেকে ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন।
অন্য সেমিফাইনালে লেয়লা ৭-৬ (৭-৩), ৪-৬, ৬-৪ গেমে হারান দ্বিতীয় বাছাই বেলারুশের আরিনা সাবালেনকাকে। ফাইনালে ওঠার পথে তিনি হারিয়েছেন এর আগেরবারের চ্যাম্পিয়ন নাওমি ওসাকা ও পঞ্চম বাছাই এলিনা সিতোলিনাকে। ফাইনালে পা রেখে ফার্নান্দেজ বলেছেন, ‘বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম এবং ঘামের বিনিময়ে আমার এই মানসিক দৃঢ়তা এসেছে। কোর্টের ভেতরে-বাইরের ত্যাগের বিনিময়ে এসেছে। আমি প্রচ-ভাবে ফাইনালে উঠতে চেয়েছিলাম এবং প্রতিটি পয়েন্টের জন্য লড়েছি।’ ঐতিহাসিক ফাইনালে আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে লেয়লার বিপক্ষে আজ তার আরও একটা লড়াই।
