চেলসির হয়ে চেলসির মাঠে অবশেষে গোল পেলেন রোমেলু লুকাকু। শনিবার তার জোড়া গোলে অ্যাস্টনভিলাকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে চ্যাম্পিয়নস লিগ বিজয়ীরা। চেলসির হয়ে স্টামফোর্ড ব্রিজে নামার ৩৬৮৭ দিন পর গোল পেলেন এই বেলজিয়ান।
স্টামফোর্ড ব্রিজে প্রথম খেলতে নেমেই গোল পাওয়াটা স্বপ্নপূরণ বলছেন বেলজিয়াম তারকা, ‘এটি আমার ছোটবেলার স্বপ্ন ছিল। এই মুহূর্তের জন্য আমি কঠোর পরিশ্রম করেছি। আমি খুব খুশি এই জয়ে। এটি আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক জয়। আমরা প্রথম মিনিট থেকেই দেখিয়েছি যে, জিততে চাই।’ লুকাকুকে নিয়ে টুখেল বলেন, ‘সে (লুকাকু) খুব আত্মবিশ্বাসী। সে আমাদের সব সময় সাহায্য করতে প্রস্তুত।’
কিশোর বয়সে ২০১১ সালের ৮ আগস্ট আন্ডারলেখট থেকে চেলসিতে এসেছিলেন লুকাকু। ১১১১ কোটি টাকায় দ্বিতীয় দফায় চেলসিতে যোগ দেওয়ার আগে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলে ৩১৮ গোল করেছিলেন লুকাকু। কিন্তু স্টামফোর্ড ব্রিজে চেলসির হয়ে গোল ছিল না তাই। তাই গোলের পর এই কথাগুলো বলেন বেলজিয়ান এই ফরোয়ার্ড। লুকাকু প্রথম দফায় চেলসিতে থাকতে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৫ এবং প্রিমিয়ার লিগে ১০ ম্যাচ খেলে কোনো গোলই পাননি। পরে ওয়েস্ট ব্রুম এভারটন, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে ইংলিশ লিগ খেলেছেন।
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো আন্তর্জাতিক ফুটবলে ১১১ গোল করে আছেন শীর্ষে। ভবিষ্যতে রোনালদোর রেখে যাওয়া রেকর্ড ভাঙতে পারেন কে? এমন প্রশ্নের উত্তরে বারবার ঘুরেফিরে আসছে লুকাকুর নামই। জাতীয় দলের হয়ে প্রথম ১০০ ম্যাচে সবচেয়ে বেশি ৭৬ গোল করেছিলেন ইরানের আলি দায়ি। যার মোট গোলের রেকর্ড ভেঙেছেন রোনালদো। আলি দায়ির পরই ১০০ ম্যাচ শেষে গোলে এগিয়ে আছেন লুকাকু (৬৭ গোল) । লুকাকু ও রোনালদোর এই তুলনা করার কারণ অবশ্য অন্য। একই দিনে (শনিবার) ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোও দ্বিতীয় দফায় শুরু করেছেন ম্যানইউতে। মাঠে নেমেই রোনালদো করেছেন ২ গোল। লুকাকুও করলেন ২ গোল। লিগে ৩ ম্যাচে ৩ গোল লুকাকুর। রোনালদোর ১ ম্যাচে ২ গোল। গেল মৌসুমে সিরি আ’তে সর্বোচ্চ ২৯ গোল করেছিলেন রোনালদো, লুকাকু করেছিলেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৪ গোল। এবার লিগ শেষে এই দু’জন কত গোল করবেন সেটি হবে দেখার বিষয়। লিগে এটি ছিল চেলসির ৬০০তম জয়। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পর দ্বিতীয় ক্লাব হিসেবে লিগে এত ম্যাচ জিতল চেলসি।
