ক্যাম্পাস ও আবাসিক হল কবে নাগাদ খুলে দেওয়া হবে সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার তাপু বলেছেন, ‘আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি কত দ্রুত সময়ের মধ্যে ছাত্রদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে ক্যাম্পাস ও আবাসিক হল খুলে দিতে পারি।’
তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাস খোলার বিষয়ে ইতিমধ্যে ইউজিসি ও শিক্ষা-মন্ত্রণালয় একাধিক মিটিং করেছে। আমরা সেখানে দেখেছি ছাত্রদের যতটা হল খোলার বিষয়ে আগ্রহ রয়েছে ততোটা আগ্রহ নেই টিকা নেওয়ার বিষয়ে।’
চলতি মাসের ৩০ তারিখের মধ্যে ক্যাম্পাস ও আবাসিক হল খোলার দাবিতে রবিবার বেলা ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পেছনে মানববন্ধনের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
পরে তারা সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে প্রশাসন ভবনের সামনে জড়ো হয়। সেখান থেকে তাদের একটি প্রতিনিধি দল উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
এ সময় উপাচার্য আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘ক্যাম্পাসের পঞ্চাশ শতাংশের কম শিক্ষার্থী টিকা গ্রহণ করেছে। সে ক্ষেত্রে সরকার আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন কমপক্ষে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী টিকা গ্রহণ না করলে ক্যাম্পাস ও আবাসিক হল না খুলে দেওয়ার। তবে সেই ক্ষেত্রে সরকার এই মাসের ২৮ তারিখ পর্যন্ত বিষয়গুলোর দেখভাল করবে। তার উপর ভিত্তি করে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত হলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমাদের জানিয়ে দেওয়া হবে।’ শিক্ষার্থীদের দ্রুত টিকার আওতায় আসার আহ্বানও জানিয়েছেন উপাচার্য।
এর আগে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি শাকিলা খাতুন, ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মহব্বত হোসেন মিলন, শিক্ষার্থী আবুল কালাম আজাদ, রেজাউল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন।
কর্মসূচিতে বিভিন্ন বিভাগের অর্ধ শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
