মাহমুদউল্লাহর ডেপুটি নির্ধারণ করে ফেলা উচিত: খন্দকার জামিল

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩২ পিএম

বেশ কিছু দিন ধরেই কোনো ফরম্যাটেই নির্ধারিত কোনো সহ-অধিনায়ক নেই বাংলাদেশের। আগামী মাসেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তবে এখনো মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ডেপুটি কে তা চূড়ান্ত নয়। হয়তো সাম্প্রতিক সময়ের সিরিজগুলোর মতো সহ-অধিনায়ক ছাড়াই বিশ্বকাপ মিশনে নামবে বাংলাদেশ।

ক্রিকেট বিশ্লেষক, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক খন্দকার জামিল উদ্দিন মনে করছেন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ডেপুটি দ্রুতই চূড়ান্ত করে ফেলা উচিত।

দেশ রূপান্তরকে খন্দকার জামিল বলেন, ‘আমাদের হয়তো বেশ ক’জন সিনিয়র খেলোয়াড় আছে। কিন্তু তাই বলে সহ-অধিনায়কের প্রয়োজনীয়তা নেই এমনটা বলার উপায় নেই।’

২০১৯ সালের শেষ দিকে তিন ফরম্যাটে তিন অধিনায়ক পায় বাংলাদেশ। অক্টোবরে সাকিব আল হাসান আইসিসির নিষেধাজ্ঞা পান। সেই সময় টেস্ট ও টি-টোয়েন্টির নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। ওয়ানডেতে ছিলেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার ডেপুটি। অন্যদিকে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে সাকিবের ডেপুটি ছিলেন যথাক্রমে মাহমুদউল্লাহ ও তামিম ইকবাল।

সাকিব নিষিদ্ধ হলে টেস্টে অধিনায়ক করা হয় মুমিনুল হককে। টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব পান মাহমুদউল্লাহ। ২০২০ সালের শুরুতে মাশরাফী ওয়ানডের নেতৃত্ব ছাড়লে অধিনায়ক হন তামিম ইকবাল। তবে এই তিন অধিনায়কের কেউই কোনো ‘ডেপুটি’ পাননি।

বিশ্বকাপের আগে মাহমুদউল্লাহর ডেপুটি নির্ধারণ প্রসঙ্গে ক’দিন আগে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, তিনি ডেপুটি অধিনায়কের পক্ষে নন। বলেন, ‘কারণ বিশ্বকাপে আমাদের মাহমুদউল্লাহ আছে, এই দলে সাকিব আছে, মুশফিক আছে। ওদের তো আর সহ-অধিনায়ক করতে পারি না। এতগুলো সিনিয়র ক্রিকেটার থাকতে আমরা কেন খামাখা আরেকটা দায়িত্ব দিতে যাব।’

খন্দকার জামিল অবশ্য বাস্তবতার কথাটাই তুলে ধরলেন, ‘বিশ্বকাপে সহ-অধিনায়কের প্রয়োজনীয়তা অনেক। কারণ মাঠে যখন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপার আসে, তখন অধিনায়ক সবার আগে সহ-অধিনায়কের সঙ্গেই কথা বলেন। তা ছাড়া হঠাৎ অধিনায়ক যদি ইনজুরড হয়ে যায়, তখন কে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পালন করবে। একজন সহ-অধিনায়ক তাই অবশ্যই থাকতে হবে। যিনি অধিনায়কত্বে অনুপস্থিতিতে দায়িত্বে পালন করবেন।’

খন্দকার জামিল ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘আগে থেকে সহ-অধিনায়ক নির্ধারণ না থাকলে প্রশ্ন উঠবে কে দায়িত্ব পালন করবে?  মুশফিক করবে, সাকিব করবে না লিটন দাস করবে, এ রকম প্রশ্ন তখন চলে আসবে। তাই একজন সহ-অধিনায়ক থাকাটা সব সময়ই উচিত।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত