সুদে ঋণ দেয় অনুমোদনহীন এমন প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ এসেছে উচ্চ আদালত থেকে। পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ৪৫ দিনের সময় দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে সুদ কারবারিদের তালিকা করতে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটিকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
গতকাল সোমবার বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেয়। রুলে লাইসেন্স এবং অনুমোদন ছাড়া ক্ষুদ্রঋণ কারবারি বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও তদারকিতে বিবাদীদের (রিট মামলার বিবাদী) নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। অর্থ সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নুর-উস-সাদিক। গত ২৮ আগস্ট একটি জাতীয় দৈনিকে ‘চড়া সুদে ঋণের জালে কৃষকেরা’ শীর্ষক প্রতিবেদন যুক্ত করে গত ৭ সেপ্টেম্বর একটি রিট আবেদন করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।
