বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

কাঁচি হাতে ঘোরার দৃশ্য থাকলেও চুল কাটার প্রমাণ নেই: ফারহানা

আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৫৩ পিএম

শিক্ষক ফারহানার চুল কাটার বিষয়টি প্রমাণ হয়েছে কাজেই তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করতে হবে এবং ক্যাম্পাস খুলে দিতে হবে এমন দাবিতে উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে শুক্রবার সকাল থেকে অবস্থান ধর্মঘট করছে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা শিক্ষক ফারহানার স্থায়ী অপসারণ ও ক্যাম্পাস খুলে দেওয়ার দাবি জানান।

তবে, শিক্ষক ফারহানা বলেন, সিসিটিভির ফুটেজে কাঁচি হাতে করে ঘোরার দৃশ্য দেখা গেলেও চুল কাটার প্রমাণ সেখানে নেই। এ থেকেই বোঝা যায় এটা একটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

এ বিষয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী নাজমুল হোসেন ও আবু জাফর বলেন, শিক্ষক ফারহানার চুল কেটে দেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত। তাই প্রশাসনিক ও একাডেমিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা দেখি না।

রুখসানা রাফা ও শামীম হোসেন বলেন, শিক্ষক ফারহানার কাছে কেউই নিরাপদ নয়। তার স্থায়ী বরখাস্ত চাই। শিক্ষক ফারহানা মিডিয়ার কাছে মিথ্যাচার করেছেন।

এ বিষয়ে শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন বাতেন বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছু বলব না। সিন্ডিকেট যা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমি মেনে নিয়েছি। তবে কাঁচি হাতে করে ঘোরার ভিডিও দেখানো হলেও চুল কাটার ভিডিও দেখানো হচ্ছে না। এ থেকেই বোঝা যায় এটা একটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য আব্দুল লতিফ ও রেজিস্ট্রার সোহরাব আলীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেও তাদের পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৫ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার হলে প্রবেশের সময় ১৪ ছাত্রে মাথার চুল কাঁচি নিয়ে কেটে দেন রবির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন বাতেন।

এ ঘটনায় পরের দিন ২৭ সেপ্টেম্বর নাজমুল হাসান তুহিন নামের এক ছাত্র ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরদিন ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা ওই শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ করেন। ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে একই দাবিতে তারা আমরণ অনশন শুরু করেন। ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে সিন্ডিকেট মিটিংয়ে ওই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করে প্রশাসন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত