সম্প্রতি কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অজ্ঞতনামা বন্দুকধারীদের গুলিতে রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহর হত্যার ঘটনা গভীর আন্তর্জাতিক চক্রান্তের অংশ বলে মনে করছে বিএনপি। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা এক বৈঠকে এ বিষয়ে একমত হন বলে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়।
এ ছাড়া এ ঘটনায় রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর স্বদেশ প্রত্যাবাসনে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে বলেও মনে করছে বিএনপি।
সোমবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব জানানো হয়।
শনিবার অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভার সিদ্ধান্ত জানাতে গণমাধ্যমে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘স্থায়ী কমিটির সভায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থতার জন্য সরকারের ব্যর্থতার তীব্র সমালোচনা করা হয়। পাশাপাশি মহিবুল্লাহর হত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় নিয়ে আসা এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তা বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়।’
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অধিকার সংস্থা ‘আর্টিকেল নাইনটিনের’ পর্যবেক্ষণে করোনাকালে গত ১৮ মাসে বাংলাদেশে জনগণের তথ্য অধিকারের ক্রমাগত লঙ্ঘন ও সংকোচন ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে। ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ডিজিটাল সিকিউরিটি নিরাপত্তা আইনে দায়ের হওয়া ১৭২ মামলার ঘটনা রেকর্ড করেছে সংস্থাটি। এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভায় ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট এবং অন্যান্য নিবর্তনমূলক আইনের সুযোগ নিয়ে মত প্রকাশের স্বাধীনতা, তথ্য অধিকার হরণের ঘটনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।’
তিনি বলেন, ‘সভায় সরকারের কর্তৃত্ববাদিতা এবং জনগণের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের প্রক্রিয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। বিএনপি মনে করে, এটা আওয়ামী লীগের একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার নীলনকশার অংশ। সভায় অবিলম্বে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টসহ সব নিবর্তণমূলক আইন বাতিলের দাবি জানানো হয়।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল সভায় অংশ নেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।মহিবুল্লাহর হত্যা গভীর আন্তর্জাতিক চক্রান্তের অংশ: বিএনপি
সম্প্রতি কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অজ্ঞতনামা বন্দুকধারীদের গুলিতে রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহর হত্যার ঘটনা গভীর আন্তর্জাতিক চক্রান্তের অংশ বলে মনে করছে বিএনপি। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা এক বৈঠকে এ বিষয়ে একমত হন বলে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়।
এ ছাড়া এ ঘটনায় রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর স্বদেশ প্রত্যাবাসনে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে বলেও মনে করছে বিএনপি।
সোমবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব জানানো হয়।
শনিবার অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভার সিদ্ধান্ত জানাতে গণমাধ্যমে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘স্থায়ী কমিটির সভায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থতার জন্য সরকারের ব্যর্থতার তীব্র সমালোচনা করা হয়। পাশাপাশি মহিবুল্লাহর হত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় নিয়ে আসা এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তা বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়।’
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অধিকার সংস্থা ‘আর্টিকেল নাইনটিনের’ পর্যবেক্ষণে করোনাকালে গত ১৮ মাসে বাংলাদেশে জনগণের তথ্য অধিকারের ক্রমাগত লঙ্ঘন ও সংকোচন ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে। ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ডিজিটাল সিকিউরিটি নিরাপত্তা আইনে দায়ের হওয়া ১৭২ মামলার ঘটনা রেকর্ড করেছে সংস্থাটি। এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভায় ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট এবং অন্যান্য নিবর্তনমূলক আইনের সুযোগ নিয়ে মত প্রকাশের স্বাধীনতা, তথ্য অধিকার হরণের ঘটনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।’
তিনি বলেন, ‘সভায় সরকারের কর্তৃত্ববাদিতা এবং জনগণের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের প্রক্রিয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। বিএনপি মনে করে, এটা আওয়ামী লীগের একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার নীলনকশার অংশ। সভায় অবিলম্বে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টসহ সব নিবর্তণমূলক আইন বাতিলের দাবি জানানো হয়।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল সভায় অংশ নেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
