ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ডের অধীনে আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় ২৮১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৭০ হাজার ৯৪১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিতে যাচ্ছে।
ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে ময়মনসিংহ জেলা থেকে এবং সবচেয়ে কম পরীক্ষার্থী শেরপুর জেলার।
২ ডিসেম্বর থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হবে আগামী ৩০ ডিসেম্বর। এবারের এইচএসসি প্রতিটি বিষয়ের পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার কেন্দ্রের আসন গ্রহণ করতে হবে। এমসিকিউ ও সৃজনশীল পরীক্ষার মাঝখানে কোনো বিরতি থাকবে না।
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের তথ্যমতে, এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় ময়মনসিংহ জেলার ১৩৪টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩৫ হাজার ৫৯৫ জন পরীক্ষার্থী ৩৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিবে। যাদের মধ্যে ১৭ হাজার ৯৯৭জন ছাত্র এবং ১৭ হাজার ৫৯৮ জন ছাত্রী। তাদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ৪ হাজার ৮৩৭ জন ছাত্র, ৩ হাজার ৪৩৭ জন ছাত্রী, মানবিক বিভাগের ১০ হাজার ৪৩৯ জন ছাত্র, ১৩ হাজার ১২১ জন ছাত্রী এবং ব্যবসায় বিভাগের ২ হাজার ৭২১ জন ছাত্র এবং ১ হাজার ৪০ জন ছাত্রী রয়েছে।
নেত্রকোনা জেলার ৪৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১২ হাজার ৪৩৭ জন পরীক্ষার্থী ২০টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিবে। যাদের মধ্যে ৫ হাজার ৬৮৪জন ছাত্র এবং ৬ হাজার ৭৫৩ জন ছাত্রী। তাদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ৫০৮ জন ছাত্র, ৩৯৯ জন ছাত্রী, মানবিক বিভাগের ৪ হাজার ৭০৮ জন ছাত্র, ৬ হাজার ৯৯জন ছাত্রী এবং ব্যবসায় বিভাগের ৪৬৮ জন ছাত্র এবং ২৫৫ ছাত্রী রয়েছে।
জামালপুর জেলার ৭৫টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১৪ হাজার ৩৩০ জন পরীক্ষার্থী ২২টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেবে। যাদের মধ্যে ৬ হাজার ৮১৪ জন ছাত্র এবং ৭ হাজার ৫১৬ জন ছাত্রী। তাদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ১ হাজার ৪৮২ জন ছাত্র, ১ হাজার ১৬৭ জন ছাত্রী, মানবিক বিভাগের ৪ হাজার ২৯১ জন ছাত্র, ৫ হাজার ৮৫৫ জন ছাত্রী এবং ব্যবসায় বিভাগের ১ হাজার ৪১ জন ছাত্র এবং ৪৯৪ জন ছাত্রী রয়েছে।
শেরপুর জেলার ২৯টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৮ হাজার ৫৭৯ জন পরীক্ষার্থী ৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিবে। যাদের মধ্যে ৪ হাজার ১৩৫জন ছাত্র এবং ৪ হাজার ৪৪৪ জন ছাত্রী। তাদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ৯৬০জন ছাত্র, ৭১৮জন ছাত্রী, মানবিক বিভাগের ২ হাজার ৪৫১জন ছাত্র, ৩ হাজার ৩৬৪জন ছাত্রী এবং ব্যবসায় বিভাগের ৭২৪জন ছাত্র এবং ৩৬২জন ছাত্রী রয়েছে।
ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. গাজী হাসান কামাল বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আশা করি আমরা ভালোভাবেই পরীক্ষা নিতে পারবো।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে পরীক্ষার সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র প্রেরণ করা হয়েছে। বোর্ডের একাধিক ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে সেই সাথে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বোর্ডে কন্ট্রোলরুম চালু থাকবে, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা তড়িৎ ব্যবস্থা নিব।
