নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করবে ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণ প্রবিধান

আপডেট : ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:৪৮ এএম

খাদ্যদ্রব্যে ক্ষতিকর ট্রান্স ফ্যাটি এসিড নিয়ন্ত্রণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নীতি গ্রহণ করেছে সরকারের নিরাপদ খাদ্য কর্র্তৃপক্ষ। গত সোমবার ‘খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্স ফ্যাটি এসিড নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা-২০২১’ গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে প্রগতির জন্য জ্ঞান (প্রজ্ঞা), ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এবং কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

গতকাল বুধবার প্রজ্ঞার প্রকল্প সমন্বয়ক মাহমুদ আল ইসলাম শিহাব স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

খাদ্যে ট্রান্সফ্যাটের প্রধান উৎস পারশিয়ালি হাইড্রোজেনেটেড অয়েল (পিএইচও), যা ডালডা বা বনস্পতি ঘি নামে পরিচিত। সাধারণত বেকারি পণ্য, প্রক্রিয়াজাত ও ভাজাপোড়া স্ন্যাক্স এবং হোটেল-রেস্তোরাঁ ও সড়কের বিভিন্ন টং দোকানের খাবার তৈরিতে পিএইচও ব্যবহার হয়। প্রবিধানের ফলে এগুলো নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। ফলে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবদুল মালিক বলেন, ট্রান্সফ্যাটযুক্ত খাবার গ্রহণের ফলে বর্তমানে তরুণ ও মধ্যবয়সীদের হৃদরোগে আক্রান্তের প্রবণতা বাড়ছে। প্রবিধানটি বাস্তবায়ন করা গেলে দেশে হৃদরোগ পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত