মুন্সীগঞ্জের সদর উপজেলার চরমুক্তারপুরের একটি ভবনে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ ভাইবোনের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানী ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যায়।
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মারা যাওয়া দুজন হলো- ফাতেমা ওরফে নোহর (৩) ও ইয়াসিন (৬)। তাদের বাবা-মা এখনো একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের অবস্থা সংকটাপন্ন। মা শান্তা বেগমের (২৭) শরীরের ৫৫ শতাংশ আর বাবা কাওসার খানের (৩৬) ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত ভোর রাত সাড়ে ৪টার দিকে শহরের চর মুক্তারপুরের শাহ সিমেন্ট রোডে জয়নাল মিয়ার চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় গ্যাস লিকেজ থেকে এই বিস্ফোরণ ঘটে।
এতে একই পরিবারের চারজনসহ পাঁচজন ঘুমন্ত অবস্থায় দগ্ধ হন। বিস্ফোরণে দগ্ধ প্রতিবেশী হৃতিকা পালকে (৪) স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পরিদর্শক রাজিব জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- গ্যাস লিকেজ হয়ে কক্ষে জমে থাকা গ্যাস থেকে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। শীতের কারণে কক্ষের সব জানালা বন্ধ ছিল। তবে প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
তিতাস গ্যাসের সহকারী কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম তুহিন বলেন, গ্যাস লিকেজের কোনো প্রমাণ মেলেনি। তবে চুলার সুইচটা তেমন ভালো না। রান্নার পরে চুলোর গ্যাস বন্ধ না করার কারণেও হতে পারে।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের মোবিলাইজিং অফিসার দেওয়ান আজাদ হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে- জমে থাকা গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণটি হতে পারে।
