করোনার সংক্রমণ থেকে ‘বাঁচাতে’ স্ত্রী-সন্তানদের খুন করলেন চিকিৎসক!

আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:০১ পিএম

হাসপাতালে করোনা সংক্রমণে মৃত্যুর সংখ্যা গুনতে গুনতে ভীত হয়ে পড়েছিলেন এক চিকিৎসক। এবার ওমিক্রন আতঙ্কে ত্রস্ত হয়ে পড়েন তিনি।

আর করোনা সংক্রমণ থেকে স্ত্রী, সন্তানদের ‘বাঁচাতে’ তাই তাদের খুন করে বসলেন এই চিকিৎসক!

খুন করার পর হোয়াটসঅ্যাপে তিনি বার্তা দেন, ‘লাশ গুনতে গুনতে আমি ক্লান্ত। ওমিক্রনের সংক্রমণ থেকে কেউ রেহাই পাবে না। এমন পরিস্থিতির যাতে শিকার না হতে হয়, তাই ওদের মুক্তি দিচ্ছি।’

শিউরে উঠার মতো এমন ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদশের কানপুরে।

পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, স্ত্রী, সন্তানদের খুন করার পরই ভাইকে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠিয়েছিলেন চিকিৎসক। চিকিৎসকের এ ধরনের বার্তা পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যান তার ভাই। তিনি গিয়ে দেখেন একটি ঘরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন তার ভাবি। অন্য ঘরে ভাইপো-ভাইঝি। এরপরই তিনি পুলিশে খবর দেন।

পুলিশ জানিয়েছে, স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে এবং দুই সন্তানকে হাতুড়ি দিয়ে মাথার খুলি ফাটিয়ে খুন করেছেন চিকিৎসক।

পুলিশকে চিকিৎসকের ভাই জানিয়েছেন, তার দাদা মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, ওমিক্রন আতঙ্কেই কি খুন নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য আছে। যদিও এই ঘটনার পর থেকে পলাতক চিকিৎসক।

তদন্তকারীরা চিকিৎসকের ঘর থেকে একটি ডায়েরি উদ্ধার করেছেন। সেখানে তিনি খুনের কথা লিখেছেন। শুধু তাই নয়, ওমিক্রনের কথাও সেখানে উল্লেখ করেছেন তিনি।

তদন্তকারীদের দাবি, ডায়েরিতে এটাও স্পষ্ট করে লেখা যে, ‘এখন থেকে আর লাশ গুনতে হবে না। করোনা সবাইকে মারবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত