কাউন্সিলর প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করায় মারধরের অভিযোগ

আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০২২, ০৪:৪৪ পিএম

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে দুই নম্বর ওয়ার্ডের এক কাউন্সিলর প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করায় বাড়িতে গিয়ে হামলা-মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার রাত সাড়ে দশটায় সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি দক্ষিণপাড়া এলাকায় আব্দুর রহিমের বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় তেরো জনের নাম উল্লেখ করে রাতেই থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন আব্দুর রহিম।

আব্দুর রহিম জানান, আমি সপরিবারে নৌকার প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর প্রচারণার জন্য লিফলেট বিতরণ করে রাতে বাসায় ফিরি। তখন দুই নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী শফিকুল ইসলামের (ঝুড়ি) ভাই-বোন ও সমর্থকসহ অর্ধশতাধিক লোক বাসায় এসে হামলা করে। নৌকার পাশাপাশি কেন শফিকুল ইসলামের ঝুড়ি প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করিনি এই কারণে আব্দুর রহিমের স্ত্রী জুলেকা বেগম (৫০), বোন খোরশেদা (৫০), ছেলে আল আমিন হোসাইন জীবন (৩৩) ও আত্মীয় ফাতেমাকে (৩০) মারধর ও অবরুদ্ধ করে রাখে। তখন ৯৯৯-এ ফোন করলে থানা-পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে সবাইকে উদ্ধার করে।

অভিযুক্ত কাউন্সিলর প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বলেন, আমার প্রতিপক্ষ কাউন্সিলর প্রার্থী ইকবাল হোসেনের লাটিম প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য আব্দুর রহিম পরিবার ভোটারদের পাঁচশত করে টাকা দিচ্ছে জানতে পেরে আমার সমর্থকেরা ফাতেমাকে আটক করে। পরে পুলিশ আসলে আমার সমর্থকেরা তাকে ছেড়ে দেয়।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজি ইয়াছিন মিয়া বলেন, আব্দুর রহিমের পরিবার নৌকার পক্ষে কাজ করছে। কাউন্সিলর প্রার্থী শফিকুল ইসলামের পক্ষে কাজ না করায় তার লোকজন হামলা চালিয়েছে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক সাফায়েদুর রহমান বলেন, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। ভোটারদের কাছে টাকা বিতরণের অভিযোগে কাউন্সিলর প্রার্থী শফিকুল ইসলামের লোকজন তাকে আটক করে রেখেছিল। খোঁজ নিয়ে জানতে পারি ওই নারী এলাকার ভোটার নয়। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আব্দুর রহিম বাদী হয়ে কাউন্সিলর প্রার্থী শফিকুল ইসলামের লোকজনের বিরুদ্ধে হামলা মারধর অভিযোগ করেছেন। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত