খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপন ও পরিবেশের কারণে দিন দিন বাড়ছে হৃদরোগের ঝুঁকি। এর পাশাপাশি যাদের উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে শর্করা মাত্রা বেশি বা যাদের স্থূলতার সমস্যা রয়েছে, তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি থাকে সবচেয়ে বেশি। হার্ট অ্যাটাক যেকোনো বয়সে, যেকোনো সময় হতে পারে। তবে হৃদযন্ত্রে কোনো ধরনের জটিলতা তৈরি হলে, তা আগাম জানান দেয় শরীর। কিছু উপসর্গের বিষয়ে খেয়াল রাখলে আগেই টের পাওয়া যায় শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির সমস্যার আশঙ্কা।
শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট : শ্বাস নিতে কষ্ট হলে বা দম আটকে এলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা থাকে। হৃদ্যন্ত্রে কোনো ধরনের সমস্যা হলো, ফুসফুস অক্সিজেন কম পায়। সে ক্ষেত্রে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। এমন হলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।
অতিরিক্ত ঘাম : তীব্র গরম ছাড়াই হালকা কাজের পর অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছে? একটুতেই হাঁপিয়ে যাচ্ছেন? তাহলেও দুশ্চিন্তার কারণ রয়েছে। শরীরে রক্ত চলাচল ঠিক না থাকলে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ঠিকমতো অক্সিজেন পায় না। এজন্য হাঁপিয়ে ওঠে মানুষ। অতিরিক্ত ঘামও হয়।
মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া : ঘুমের সময় মানব মস্তিষ্ক কাজ করলেও শরীরের অন্য অঙ্গগুলো শিথিল অবস্থায় থাকে। যদি মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায়। দেখেন দরদর করে ঘামছেন বা অস্বস্তি বোধ করছেন। বিষয়টি মোটেও উপেক্ষা করবেন না।
বুকে ব্যথা অনুভব : মাঝেমধ্যেই যদি বুকে ব্যথা বা চাপ লাগার মতো অনুভূতি হয় তবে হৃদরোগের সম্ভাবনা থাকে। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসককে জানান।
নারীদের কিছু লক্ষণ : সবার ক্ষেত্রে ওপরের লক্ষণ দেখা দিলেও নারীদের ক্ষেত্রে আরও কিছু লক্ষণ থাকতে পারে। বুকে ব্যথা, ঘাম হওয়া বা হাঁপ ধরা ছাড়াও পেটে অস্বস্তি, পিঠে ব্যথার মতো কিছু লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
