কলকাতা বইমেলায় থিম কান্ট্রি বাংলাদেশের লোগো উন্মোচন

আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৫:২৭ পিএম

উন্মোচন হয়েছে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার ফোকাল থিম কান্ট্রি বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক লোগো। খবর বাসস।

বৃহস্পতিবার বিকেলে কলকাতা প্রেসক্লাবে বইমেলার আয়োজক সংস্থা পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ড আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ লোগোর উন্মোচন করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। লোগোতে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর মুখচ্ছবি।

বইমেলায় এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে, ‘সৃজনে মননে মানবিক দেশ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বাংলাদেশ’।

করোনা আবহে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা। ১৩ মার্চ চলবে পর্যন্ত করুণাময়ীর সেন্ট্রাল পার্ক মেলা প্রাঙ্গণে।

এবারের বইমেলা উৎসর্গিত হচ্ছে বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ এবং বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীকে ঘিরে।

সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। অতিথি ছিলেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান, আয়োজক সংস্থা পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের সভাপতি শেখর দে, সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ ।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর সঙ্গে ভারতের সরকার এবং জনগণ গভীরভাবে জড়িয়ে আছে উল্লেখ করে কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ বইমেলার আয়োজন ইতিহাসের এক অনন্যসাধারণ অংশ।

তিনি বলেন, কবিতায়, শিল্প-সাহিত্যে বঙ্গবন্ধু যেন একটি চিরন্তন প্রেরণা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও কলকাতা বইমেলার আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেন, এ বইমেলা বঙ্গবন্ধুকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করবে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ, মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে উপজীব্য করে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন নির্মাণ করা হবে।

বইমেলার আয়োজক সংস্থার সভাপতি সুধাংশু শেখর তার বক্তব্যে বলেন, এবারের বইমেলায় ৬ শতাধিক স্টল থাকবে। এ ছাড়া লিটল ম্যাগাজিনের সংখ্যা ১৮০ থেকে বাড়িয়ে ২০০টি স্টল করা হয়েছে। কলকাতা বইমেলায় প্রধান ৪টি প্রবেশদ্বারের মধ্যে ৩টি দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশকে। এই তিনটি প্রবেশদ্বার সাজানো হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর বিখ্যাত ৩টি বই বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’ এবং ‘আমার দেখা নয়া চীন’-এর আদলে। বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের আকৃতি হবে প্রায় ৬০০ বর্গফুট। ৫০টি স্টলে সরকারি বেসরকারি মোট ৪২টি প্রকাশনা সংস্থা অংশগ্রহণ করবে, সব মিলিয়ে বই থাকবে ১০ হাজারের বেশি।

৩ ও ৪ মার্চ কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশ দিবস উদ্‌যাপিত হবে। ৬ মার্চ শিশু দিবস উদ্‌যাপন ছাড়াও ১১ ও ১২ মার্চ কলকাতা সাহিত্য উৎসব উদ্‌যাপনের কথা রয়েছে।

কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন ছাড়াও থাকছে ব্রিটেন, ইতালি, স্পেন, আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো, ইরান এবং ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলো।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত