সাতক্ষীরার উপকূলীয় উপজেলা গাবুরার পার্শ্বেমারীতে টিউবওয়েল থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস উদ্্গিরণ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গাবুরা ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম। তিনি জানান, পার্শ্বেমারী গ্রামের বায়তুন নুর জামে মসজিদের সামনে গত ১১ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার একটি গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ সমাপ্ত হয়। কিন্তু পানি উঠলেও পানির সঙ্গে গ্যাসের গন্ধ পাওয়া যায়। সন্দেহ হলে স্থানীয়রা দিয়াশলাই দিয়ে আগুন জ্বালালে জ্বলতে থাকে। যতক্ষণ পর্যন্ত টিউবওয়েল চেপে পানি তোলা হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আগুন জ্বলছে। খবর পেয়ে সার্ভিসের সদস্যরা সেখানে গিয়ে আগুন নিভিয়ে টিউবওয়েলের মুখটি বন্ধ করে দেন। একই সঙ্গে সতর্কতামূলক লাল কাপড় টানানো হয় সেখানে।
কালিগঞ্জ উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের সাব স্টেশন অফিসার বেল্লাল হোসেন মৃধা জানান, টিউবওয়েলে গ্যাসের চাপ ছিল অনেক। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে। বিকেলে সেখানে লাল পতাকা টানানোর পাশাপাশি দুই সপ্তাহের আগে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা ছাড়া কাউকে ওই টিউবওয়েলের কাছাকাছি যেতে নিষেধ করে দেওয়া হয়েছে।
বেল্লাল হোসেন জানান, গ্যাস উদ্্গিরণের চাপ থাকায় টিউবওয়েলের আশপাশ থেকেও গ্যাস উদগীরণের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। সুতরাং সেখানে দিয়াশলাই বা আগুন জ্বালালে বিপদের সম্ভাবনা থাকার কারণে এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পার্শ্বেমারী গ্রামের মিজানুর রহমান বলেন, ধারণা করছি মাটির নিচে গ্যাসের মজুদ রয়েছে। সরকার যদি জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে গ্যাস উত্তোলন শুরু করে, তবে এ জনপদের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের পথ সুগম হবে।
