ব্রিটেনের সিংহাসনের উত্তরসূরি প্রিন্স চার্লসের স্ত্রী ক্যামিলা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
লন্ডনে প্রিন্স অব ওয়েলসের রাজকীয় বাসস্থান ক্লারেন্স হাউস এক বিবৃতিতে জানায়, ডাচেস অব কর্নওয়ালের কভিড-১৯ পরীক্ষায় সংক্রমণ ধরা পড়েছে এবং তিনি সেলফ আইসোলেশনে রয়েছেন।
আরও বলা হয়, আমরা সরকারি নির্দেশনা মান্য করে চলেছি।
গত সপ্তাহে ৭৩ বছর বয়সী চার্লস দ্বিতীয়বারের মতো করোনায় আক্রান্ত হন। তবে ক্লারেন্স হাউস সোমবার চার্লসের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে নতুন কোনো তথ্য দেয়নি। ক্যামিলা সম্পর্কেও বিস্তারিত জানানো হয়নি।
ব্রিটেনের আলোচিত দম্পতি চার্লস ও ক্যামিলা কভিডের বুস্টার ডোজ গ্রহণ করেছেন।
রাজ পরিবারের একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছিল, সংক্রমণ ধরা পড়ার দুই দিন আগে মা রানী এলিজাবেথের সঙ্গে দেখা করেছিলেন প্রিন্স চার্লস। বর্তমানে করোনার কোনো লক্ষণ না থাকলেও পর্যবেক্ষণে রয়েছেন রানী।
এর আগে ২০২০ সালের মার্চে প্রথমবার করোনা আক্রান্ত হন চার্লস। তার কিছুদিন পরই ছেলে প্রিন্স উইলিয়ামও কভিড সংক্রমিত হন।
এ দিকে সম্প্রতি রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ বলেছেন, তিনি চান ছেলে প্রিন্স চার্লস যখন রাজা হবেন, তখন ‘কুইন কনসর্ট’ হিসেবে পরিচিত হবেন ডাচেস অব কর্নওয়াল ক্যামিলা। এত দিন ধারণা করা হতো, প্রিন্স চার্লস রাজা হলে কুইন নয়, প্রিন্সেস কনসর্ট হিসেবে পরিচিত হবেন ক্যামিলা।
ব্রিটিশ সিংহাসনে আরোহণের ৭০তম বার্ষিকীতে দেওয়া বার্তায় রানী এলিজাবেথ বলেন, এটা তার ‘আন্তরিক ইচ্ছা’ যে ক্যামিলার পদবি ‘ডাচেস অব কর্নওয়াল’ থাকবে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের আচমকা এমন ঘোষণার মাধ্যমে মৃত্যুর পর তার ছেলে প্রিন্স চার্লস রাজা হলে ক্যামিলার রানী উপাধি পাওয়ার পথ প্রশস্ত হলো।
ক্লারেন্স হাউসের এক মুখপাত্র বলেন, রানীর এমন ঘোষণায় প্রিন্স অব ওয়েলস ও ডাচেস অব কর্নওয়াল ‘আপ্লুত ও সম্মানিত’ বোধ করছেন।
চার্লস ও ক্যামিলার বিয়ের সময় ধারণা ছিল যে ক্যামিলা প্রিন্সেস কনসর্ট হিসেবেই পরিচিত হবেন। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোয় তার পদবি নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়তে থাকে। রানীর হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ক্যামিলার পথের বাধা কেটে গেল।
