সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের একটি ক্রয় কাজের দরপত্র জমাদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগে সদর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়কস পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার দুপুরে পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও শহরের তেঘরিয়া এলাকার বাসিন্দা এহসানুল হক, যুবলীগের কর্মী শহরের আরপিননগর এলাকার তাজুল ইসলাম ও রিগ্যান আহমেদ, শহরতলির মাইজবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা হাফিজুর রহমান এবং রাজবাড়ি জেলার পাংশার বাসিন্দা শাওন আহমদ।
হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালের ওষুধসহ বিভিন্ন সামগ্রী ক্রয় কাজের দরপত্র জমাদানের নির্ধারিত দিন ছিল বুধবার। সকালে হাসপাতালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লোকজনকে দরপত্র জমা দিতে বাধা দেন এবং কারো কারো কাছ থেকে দরপত্রের কাগজ ছিনিয়ে নেন আটকরা। পরে বিষয়টি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আনিসুর রহমান পুলিশকে জানান। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগে বাধাদানকারীরা সেখান থেকে চলে যান। এরপর পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তাদের চিহ্নিত করে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায় আনিসুর রহমান জানান, প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার কাজ এটি। সকালে দরপত্র জমাদানকালে সেখানে কয়েকজন যুবক গিয়ে গণ্ডগোলের চেষ্টা করে। তারা অন্যদের দরপত্র জমাদানে বাধা দেয়। দুজনের কাছ থেকে কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয়। পরে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়। দরপত্র প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা হয়েছে।
সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইখতিয়ার উদ্দিন বলেন, আমরা খবর পেয়ে হাসপাতাল এবং শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাঁচজনকে আটক করেছি। আটকরা থানায় আছেন। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা হয়নি।
সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, আটকদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হবে এবং সেটি প্রক্রিয়াধীন।
