ইরানের মদদপুষ্ট লেবাননের ইসলামি সংগঠন হিজবুল্লাহর পাঠানো একটি ড্রোন শুক্রবার ভোরে ইসরায়েলের আকাশসীমায় ঢুকে গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে নিরাপদে ফিরে আসে। ‘হাসান’ নামের ওই ড্রোনটি টানা ৪০ মিনিট ইসরায়েলের আকাশে অবস্থান করে নজরদারি চালিয়েছিল।
ইসরাইলের সামরিক বাহিনী ড্রোনটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লেও তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এরপর জঙ্গিবিমান দিয়ে ড্রোনটি তাড়া করে ইসরায়েল।
তবে, তাদের সব প্রচেষ্টাই ব্যর্থ করে দিয়ে লেবাননে নিরাপদে ফিরে আসে হিজবুল্লাহর সেই ড্রোন।
এ সময় ভূপাতিত করতে ব্যর্থ হয়ে ড্রোনটিকে ধাওয়া করতে করতে লেবাননের রাজধানী বৈরুত পর্যন্ত চলে আসে ইসরায়েলের দুটি যুদ্ধবিমান।
আন্তর্জাতিক আকাশসীমা লঙ্ঘন করা নিয়ে গণমাধ্যমের কাছে কোনো মন্তব্য করেনি ইসরায়েলের সেনাবাহিনী।
হিজবুল্লাহ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শুক্রবার তারা ‘হাসান’ নামে একটি ড্রোন অধিকৃত ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডে পাঠায় এবং টার্গেটকৃত এলাকায় ৪০ মিনিট ধরে সেটি গোয়েন্দা মিশন পরিচালনা করে।
এ সময় ইসরায়েলের সেনাবাহিনী নানাভাবে ড্রোনটি ভূপাতিত করার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়।
এর দুদিন আগে হিজবুল্লাহ মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ বলেছিলেন, তাদের সংগঠনের যোদ্ধারা নিজেরাই ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র বানাচ্ছে।
ইসরাইলের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শুক্রবার ভোরে লেবাননের আকাশ থেকে একটি ড্রোন তাদের আকাশ সীমায় প্রবেশ করে। তারা এটাকে শনাক্ত করার পর গুলি করে ভূপাতিত করার আগেই তা লেবাননে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র অ্যাভিচে আদ্রায়ি বলেছেন, লেবানন থেকে আসা ড্রোনটি শনাক্ত করার পর ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোম থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে তা ধংস করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।
