রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তার প্রতিবাদে মশাল মিছিল করেছে প্রগতিশীল ছাত্রজোট।
সোমবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে জোহা চত্বরে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে রূপ নেয়।
সমাবেশে হেনস্তার ঘটনায় জড়িত পরিবহন কর্মচারীকে অবিলম্বে প্রত্যাহার দাবি জানিয়েছে তারা।
সমাবেশে রাবি শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আহ্বায়ক রিদম শাহরিয়ার বলেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বাম গণতান্ত্রিক জোটের হরতাল সমর্থনের সময় আমাদের ওপর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনের কর্মচারীরা যে হামলা চালিয়েছে আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সেই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানাচ্ছি।
শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি শাকিলা খাতুন বলেন, ‘সারা দেশে দ্রব্যমূল্যের দাম কমানোর দাবিতে বাম গণতান্ত্রিক জোট দেশব্যাপী লাগাতার আন্দোলন করে আসছিল। এরই প্রেক্ষিতে ২৮ মার্চ দেশব্যাপী অর্ধদিবস হরতাল কর্মসূচি ডাকা হয়। আমরা দেশের সচেতন নাগরিক হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে হরতাল পালনের জন্য প্রশাসন ভবনের সামনে জড়ো হই। সেখানে প্রক্টর স্যারের সঙ্গে আমাদের নানা রকম কথা হচ্ছিল। এরই মাঝে তাদের পেটোয়া বাহিনী আমাদের ওপর হামলা করে। এই হামলা নতুন নয়। এই ফ্যাসিবাদী সরকার, জনগণের সমর্থন বিহীন সরকার। এরা জনগণকে একত্রিত হতে দেখলে ভয় পায়। তাই তারা হামলা করে মামলা দিয়ে আন্দোলন দাবিয়ে রাখতে চায়।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর আহ্বায়ক রনজু হাসান, যুগ্ম আহ্বায়ক শাকিল আহমেদ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, সোমবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোটের ডাকা অর্ধদিবস হরতাল পালনের সময় বামজোটের নেতা কর্মীদের সঙ্গে পরিবহন কর্মচারীদের হাতাহাতি হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টার সামনে ছাত্র ইউনিয়ন রাবি শাখার সভাপতি শাকিলা খাতুনকে ধাক্কা দেয় এক পরিবহন কর্মচারী।
