সাভারের আশুলিয়ায় রাতের আঁধারে একটি আঞ্চলিক সড়কের পাথে থাকা সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার আব্দুর রশিদ ও পোস্ট মাস্টার আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে। এ সময় কাটা গাছের অংশবিশেষ জব্দ করেছে গ্রাম-পুলিশ।
সোমবার দুপুরে গাছ কাটার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম আজাহারুল ইসলাম সুরুজ।
এর আগে রবিবার রাতের আঁধারে ধামরাই-কালিয়াকৈর আঞ্চলিক সড়কের আশুলিয়ার নৈহাটি এলাকা থেকে সরকারি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার সময় সেগুলো জব্দ করা হয়।
শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার হজরত আলী বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি সড়কের পাশের সরকারি গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছেন শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুর রশিদ। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে আব্দুর রশিদের উপস্থিতিতে গাছ কাটার দৃশ্য দেখতে পাই।
পরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম আজাহারুল ইসলাম সুরুজকে বিষয়টি জানানো হলে ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বারকে ঘটনাস্থলে পাঠায় চেয়ারম্যান। এ সময় চেয়ারম্যানের নির্দেশে কাটা গাছগুলো জব্দ করা হয়। তবে এরই মধ্যে সটকে পড়েন সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদ।
শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের বর্তমান সদস্য আব্বাস আলী জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ গুলো জব্দ করেছি।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আব্দুর রশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, গাছগুলো পোস্টমাস্টার আব্দুর রহমানের কাছ থেকে তিনি কিনেছেন। কিন্তু পোস্টমাস্টার আব্দুর রহমানকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, পোস্ট মাস্টার আব্দুর রহমান শুধু রাতের আঁধারে সরকারি গাছ কেটে বিক্রির মধ্যে থেমে নেই, তিনি নৈহাটি বাজারের আরএস রেকর্ডীয় রাস্তা বন্ধ করে দোকান ঘর নির্মাণ করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া সদ্য রোপণ করা গাছ তুলে পাশের জলাশয়ে ফেলে দিয়েছে তার ভাতিজা সোলাইমান।
শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম আজাহারুল ইসলাম সুরুজ বলেন, রাতের আঁধারে সাবেক মেম্বার রশিদ ও পোস্ট মাস্টার আব্দুর রহমান সড়কের সরকারি গাছ কেটে বিক্রি করছিলেন।
খবর পেয়ে গাছগুলো জব্দ করে গ্রাম পুলিশের জিম্মায় রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
