নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বুকে ধারণ ও লালন করতেন।
রবিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার রবীন্দ্র কাছারিবাড়ি মিলনায়তনে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন আয়োজিত ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহ আজম, সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. শামীম খান।
বক্তব্য রাখেন শাহজাদপুর পৌর মেয়র মনির আক্তার খান তরু লোদী, শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক এমপি চয়ন ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর আজাদ রহমান, সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারহানা ইয়াসমিন।
উপস্থিত ছিলেন, সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক মেরিনা জাহান কবিতা, শাহজাদপুর থানা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিবুল হাসান, শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো. শামসুজ্জোহা প্রমুখ।
এতে সভাপতিত্ব করেন সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ।
অতিথিবৃন্দ মোমবাতি প্রজ্বলন করে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন। এরপর সমবেত রবীন্দ্র সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান সূচিত হয়। শাহজাদপুরের শিল্পীবৃন্দ এ সমবেত রবীন্দ্র সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন।
নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একজন মহান পুরুষ ছিলেন। তিনি দেশকে ভালোবাসতেন ও এই দেশের কৃষিকে ভালোবাসতেন। তাই তিনি শুধু আমার সোনা বাংলা গানই রচনা করেননি, সোনার বাংলার কৃষকদের উন্নয়নে ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থা চালু করে কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করেছেন। বঙ্গবন্ধু রবীন্দ্রনাথকে বুকে ধারণ ও লালন করতেন। তাই পরবর্তীতে তার সেই ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়ে কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক চালু করেন। এই দুই মহাপুরুষের ছোঁয়ায় এ দেশ সত্যিকারের সোনার বাংলায় পরিণত হয়েছে। আর বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সঠিক সিদ্ধান্ত ও দিক-নির্দেশনায় বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। তারা নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মতো মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
তিনি বলেন, শাহজাদপুরের বাঘাবাড়ি নৌবন্দরকে প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত করে এর ব্যাপক উন্নয়নের চেষ্টা করা হচ্ছে। অচিরেই এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে।
