প্রায় দুইশো রান ও ৩৩ উইকেটের মধ্যে একবার ৮ উইকেট নিয়েছেন সাইখ ইমতিয়াজ শিহাব। ৫ উইকেট আছে আরও দুবার। ফাইনালেও নিয়েছেন ইনিংসে ৫। লেগ স্পিন করা এই কিশোরের পছন্দ আফগানিস্তানের রশিদ খান। তার মতো অনেক অস্ত্রই আছে তার বোলিং আক্রমণে। কাল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর জানালেন স্কুল ক্রিকেট শিরোপা অভিযানের নানা দিক।
টুর্নামেন্টটা এত ভালো কাটল আপনার। এত সফল হওয়ার রহস্য কী?
শিহাব : আলহামদুলিল্লাহ ভালো লাগছে। শুরু থেকেই লক্ষ্য ছিল সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হব। আমার মিশন ছিল প্রতিটি ম্যাচে পাঁচ উইকেট নেব, প্রতি ম্যাচে ম্যাচসেরা হব, প্রতিটি ম্যাচে নিজের সেরাটা দেব। আলহামদুলিল্লাহ আমি পেরেছি।
স্কুল ক্রিকেটের শিরোপা জিতলেন। ভবিষ্যৎ লক্ষ্যটা কী?
শিহাব : চেষ্টা অবশ্যই জাতীয় দলে খেলার। বাংলাদেশ দলে যেহেতু লেগস্পিনার নেই, আমি নিজেকে সেভাবেই তৈরি করতে চাচ্ছি। আমি ঐ গতিতেই এগোতে চাই, যেটা আমার এখন আছে। আমি আরও ভালো করতে চাই।
বাংলাদেশ লেগ স্পিনারদের সুযোগ পাওয়াটা কঠিন। তবুও নিজে লেগ স্পিনার হয়ে কী স্বপ্ন দেখেন? কাকে অনুসরণ করেন?
শিহাব : ছোটবেলা থেকেই আমার ইচ্ছা আমি একজন বড় মানের লেগস্পিনার হব। এখন পর্যন্ত লেগস্পিনের চারটি বিষয় আমি আয়ত্ত করতে পেরেছি লেগস্পিন, গুগলি, টপ স্পিন ও সøাইডার। এগুলো নিয়েই কাজ করছি। লেগস্পিনের ক্ষেত্রে রশিদ খানকে অনুসরণ করি আমি।
টুর্নামেন্ট জয়ের জন্য নিজে কোনো আলাদা পরিকল্পনা করেছেন? ফাইনালের আগে কী পরিকল্পনা ছিল?
শিহাব : দলকে নেতৃত্ব দিয়ে আমি খুব খুশি। আগে যেটা বলেছি, আমাদের যেটা পরিকল্পনা করেছে পুরো দল মিলেই সেটা করেছে। ফাইনালে আসার পর আমাদের একটাই চিন্তা ছিল যে চ্যাম্পিয়ন হতেই হবে।
নিজেরা তো রান কম করলেন। ইনিংসের মাঝপথে টিম টক কী ছিল?
শিহাব : আসলে যত কম রান হবে, ম্যাচটা তত মজা হবে। আমরা এর আগে চারটা ম্যাচ এভাবেই জিতেছি, ১০০ রান করেও জিতেছি। আমাদের বোলারদের লক্ষ্য ছিল শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যাব। দলকে বলেছিলাম, রান কম হয়েছে যাক। আমাদের চেষ্টা যেন রানের চেয়েও বেশি থাকে।
এত বড় টুর্নামেন্ট। শুরু থেকে আপনাদের লক্ষ্য এবং এই দীর্ঘ যাত্রা কেমন ছিল?
শিহাব : আমাদের লক্ষ্য ছিল ফাইনাল ম্যাচ জেতা। আমরা জিতে দেখিয়েছি। এই টুর্নামেন্টটা খুব ভালো উপভোগ করেছি আমরা। আমাদের অনেক খেলোয়াড় নিজেদের দক্ষতা দেখাতে পেরেছে। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল একটা ভালো জায়গায় যাওয়া। যখন থেকে টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে, তখন থেকেই সবার মধ্যে প্রতিযোগিতাপূর্ণ মনোভাবটা ছিল।
