করোনাকালে রেমিট্যান্স

সৌদিপ্রবাসীরাই পাঠিয়েছেন ৪২০ কোটি ডলার

আপডেট : ১৬ জুন ২০২২, ০৪:১৬ এএম

চলতি অর্থবছরের মে মাস পর্যন্ত প্রবাসীদের পাঠানো প্রায় ১ হাজার ৯২০ কোটি ডলার রেমিট্যান্সের মধ্যে শুধু সৌদি আরবপ্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৪২০ কোটি ডলার।

গতকাল বুধবার এক ভিডিও বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘করোনা-উত্তর পরিস্থিতিতে যখন আমাদের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল, সে সময় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ^বাজারে জ¦ালানি তেল, গ্যাস, সারসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে সারা বিশে^র মতো আমরাও আজ এক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন।’

তিনি বলেন, ‘প্রবাসীদের দেশে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহ দিতে সরকার ইতিপূর্বে রেমিট্যান্সের ওপর ২ শতাংশ প্রণোদনা দিয়েছে, যা বর্তমানে ২ দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে। প্রবাসী যে কেউ এখন থেকে ১ লাখ টাকা দেশে পাঠালে সঙ্গে আরও ২ হাজার ৫০০ টাকা প্রণোদনা হিসেবে পাবেন। ইতিপূর্বে ৫ লাখের অধিক টাকা প্রেরণ করলে প্রণোদনার টাকা পেতে হলে কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ব্যাংকে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল, কিন্তু বর্তমানে যেকোনো অঙ্কের টাকা প্রেরণ করা হোক না কেন, কোনো কাগজপত্র জমা দেওয়া ছাড়াই প্রণোদনার টাকা ব্যাংকে জমা হয়ে যাবে।’

বৈধ পথে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠালে তা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তথা ডলার রিজার্ভে জমা হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এর ফলে দেশের আমদানি ব্যয় ও অন্যান্য প্রয়োজন মেটানো হয়। দেশের অর্থনীতি গতিশীল ও শক্তিশালী হয়। বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠালে প্রবাসীর পরিবারের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি দেশের উন্নয়নে প্রবাসীর অবদান নিশ্চিত হয়। এ ছাড়া দেশে আপনার আয় বৈধ বলে বিবেচিত হয়।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত