প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

১৯ শিক্ষক বদলি আদেশ বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু

আপডেট : ২২ জুন ২০২২, ০৩:৫৭ এএম

করোনার কারণে প্রায় দুই বছর ধরে বন্ধ আছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি। অথচ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) মহাপরিচালক তার চাকরির শেষ দিনে ১৯ জন শিক্ষককে বদলি করেন। যে বদলির আদেশ ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়নি। তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়টি জানার পর সেই বদলি বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

গত ১৪ জুন অবসরোত্তর ছুটিতে যান ডিপিই মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম। এর আগের দিন গত ১৩ জুন তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। মহাপরিচালক হিসেবে চাকরির শেষ দিনে তিনি ঢাকা মহানগরীসহ বিভিন্ন জেলায় ১৯ জন শিক্ষককে বদলি করেন। এছাড়াও চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) এর আরডিপিপি অনুমোদন না হলেও সেখানে পরামর্শক পদে নিজেকে নিয়োগের প্রস্তাব নিজেই করে গেছেন মহাপরিচালক।

বদলির বিষয়টি জানার পর গতকাল মঙ্গলবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন সেই বদলি বাতিল করতে নির্দেশ দেন। এরপর সে বিষয়ে কাজ শুরু করেছে মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বদলির ব্যাপারটি আমাদের জানা ছিল না। আমরা তা জানার পরই খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেছি। এ ব্যাপারে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

জানা যায়, অবসর গমনের দিনই ডিজি দুই বছর থেকে স্থগিত থাকা শিক্ষক বদলি চালুর জন্য নির্দেশনা দেন। সে অনুযায়ী আদেশও জারি করা হয়। এরপর ডিজির বিভিন্ন জেলার ১৯ জন শিক্ষককে বদলি করা হয়। এরপরই আবার বদলির নির্দেশনা বাতিল করা হয়। এছাড়া বদলির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ছুটিতে পাঠানো হয়। ইতিমধ্যে চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর থেকে মাহমুদা আক্তার নামে এক শিক্ষক ঢাকা মহানগরের যাত্রাবাড়ী এলাকায় বদলি হয়েছেন এবং যোগদানও করেছেন বলে জানা গেছে।

ডিপিই সূত্র জানায়, যাদের বদলি করা হয়েছে তাদের চিঠি গোপনে হাতে হাতে দেওয়া হয়েছে। ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়নি। শুধু সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসাররা জানেন। তবে এ বিষয়ে কেউ মুখ খুলছেন না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত