পাবনার ফরিদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আশরাফুল কবীরকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার মুক্ত মঞ্চের পাশের একটি চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে দলীয় আয়োজনের অংশ বিশেষ আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালীন পাশের দোকানে চা পান করছিলেন আলী আশরাফুল কবীর। সেখানে লাঠিসোঁটাসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।
উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী সদস্য রুবেল রানা জানান, কবীর ভাই দোকানে চা পান করছিলেন। তখন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম কুদ্দুস তার ছেলে রাতুল ও মনছুরসহ কয়েকজনকে নিয়ে হাজির হন।
তিনি কেন এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করেননি জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাজাকারের প্রোগ্রামে কেন আসবো? এরপর এসব নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তার দলবল নিয়ে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্রযোগে তাকে হামলা করেন।
এতে মাথায় জখম হলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ছাড়া ছাত্রলীগ সভাপতি সোহেল রানা ও বনওয়ারি নগর ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি শাহিনুর রহমানসহ অনেকেই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বলেও জানান তিনি।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নুরুল ইসলাম কুদ্দুস জানান, অনুষ্ঠানস্থলের পাশে একটি দোকানে চা খাচ্ছিলাম। একটা বিষয় নিয়ে তার সঙ্গে আমার কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি আমার কলার চেপে ধরেন। তখন আমার ছেলেপেলে তাকে কিলঘুষি মারলে মাটিতে পড়ে গিয়ে তার মাথা কেটে যায়।
ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা এ ঘটনার পর পরই অভিযুক্তদের আটকের জন্য অভিযান পরিচালনা করছি। তারপরও এজাহার পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
