মেষঃ জাতকের দ্বাদশে রবির অবস্থানের ফলে ঠা-াজনিত জ্বর হতে পারে। তবে দুশ্চিন্তা বা হতাশ হওয়ার কারণ নেই। ডাক্তারের পরামর্শই যথেষ্ট।
বৃষঃ রাশিচক্রের ও রাশি-সঞ্চার নিরূপণে দেখা যায় যে, জাতকের অর্থোপার্জন বৃদ্ধি পাবে। সাধারণ জীবনমানের ক্ষেত্রে উন্নতি ও সম্পত্তি বৃদ্ধি পাবে।
মিথুনঃ গোচরস্থানে চন্দ্রের অবস্থানগত কারণে বস্ত্র ও ভূষণাদি ব্যবসায়ে অর্থযোগ রয়েছে। অতিরিক্ত ব্যয় পরিবারের সদস্যদের সমালোচনায় পড়বেন।
কর্কটঃ বিংশোত্তরী দশা ও জন্মনক্ষত্রের অবস্থানের বিচারে জাতকের যানবাহনাদিতে আরোহণসুখ এবং রাজলক্ষ্মী লাভ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সিংহঃ কেতুর দশা ও বিশাখা বা পূর্বভাদ্রপদের প্রভাবে শুক্রের মহাদশায় অভীষ্টসিদ্ধি বীরঅঙ্গনাসহ বিলাস ও সম্মান লাভ হবে। লক্ষ্মীর বর লাভ হবে।
কন্যাঃ শুক্র লগ্নক্ষেত্রে জাতকের নিজ নবাংশে অবস্থিত হওয়ায় নতুন গৃহনির্মাণ রাজতুল্য ব্যক্তির অনুগ্রহ লাভ ও ধনসম্পদ বৃদ্ধির সুযোগ আসবে।
তুলাঃ প্রথম কোষ্ঠার পি-স্বর নির্ণয়ে জাতক স্থানীয় কোনো রাজনৈতিক চতুর নেতার সহায়তায় বেদখল সম্পত্তি ফেরত পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।
বৃশ্চিকঃ সপ্তশূন্য চক্রানুযায়ী জাতকের জন্মতিথিতে ত্রিপাপ-চক্রের আবির্ভাবে বয়ঃক্রমকালে দূরের যাত্রায় অঙ্গহানির যোগ রয়েছে। যাত্রা বিরতি কাম্য।
ধনুঃ ত্রিগ্রহ যোগফলে জাতকের রাশিচক্রের জন্মকালীন ঠিকুজি বিচারে দেখা যায় যে, স্ত্রীর কর্তৃত্ব পরায়ণতা অর্থলাভে সহায়ক হবে। অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমবে।
মকরঃ রবি, মঙ্গল ও শনিগ্রহের যোগে জাতকের ভ্রাতৃরিষ্টের কারণে পত্নীকুলের আত্মীয়দ্বারা অযথা বিড়ম্বনার সম্মুখীন হবেন। শ্যালিকার ফাঁদে পড়বেন না।
কুম্ভঃ রাহু ও কেতুর সহাবস্থানের ফলে জাতক সুচতুর আইনজ্ঞের সাহায্যে যৌথ-ব্যবসার লোকসান থেকে রক্ষা পাবেন। রাজকীয় খাজনাও কমে আসবে।
মীনঃ ফাল্গুনী ও কেতু একই রাশিতে অবস্থানে দেখা যায় জাতকের বহুপত্নীযুক্ত শ্বশুরের তরুণীভার্যার লালসার স্বীকার হতে পারেন। লালসা পরিত্যাজ্য।
