যৌন নিপীড়নে জড়িতদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার।
বৃহস্পতিবার বিকালে গণমাধ্যম কর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেই হোক ইনশাল্লাহ, এটা আমি ওপর থেকে নির্দেশ পেয়েছি। যেই রাজনৈতিক দলেরই হোক। সে শাস্তির আওতায় পড়বে। কেউ রেহাই পাবে না। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এটা উপর থেকেও বলেছে, যে রাজনৈতিক কমিটির ছত্রছায়াই থাকুক না কেন। সে শাস্তি পাবে। যে জঘন্য কাজ করেছে তার উপযুক্ত শাস্তি পাবে।
রোববার রাতে ক্যাম্পাসের হতাশার মোড় থেকে হলে ফেরার পথে এক ছাত্রী ও তার বন্ধুকে আটকে বোটানিক্যাল গার্ডেন এলাকায় নিয়ে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। পাঁচজন ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে বলেও অভিযোগ করা হয়।
ওই ঘটনায় মঙ্গলবার ওই ছাত্রী থানায় মামলা করেন। আগের দিন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছেও লিখিত অভিযোগ দেন।
এঘটনায় বুধবার থেকে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাসহ কয়েক দফা দাবিতে বিভিন্ন বাম ছাত্র সংগঠন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করে। বৃহস্পতিবার প্রতিবাদে উত্তাল ওঠে চবি ক্যাম্পাস।
উপাচার্য শিরীণ আখতার বলেন, এটা খুব অযৌক্তিক ঘটনা, দুঃখজনক ঘটনা। বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা ছেলেমেয়ে, শিক্ষকদের, কর্মচারীদের নিয়ে বসবাস করি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার বলি। সেদিনই তাৎক্ষণিক তদন্ত কমিটি করেছি। আরও দুটো কমিটি আমাদের আছে। একটা অভিযোগ কমিটি এবং একটা নিপীড়নবিরোধী কমিটি, হাইকোর্ট যেটা বলে দিয়েছে। তারপরও আমরা সাথে সাথে কমিটি করেছি। আমরা যে কমিটি করেছি তারা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে কাজ করছে। তাদের ফাইন্ড আউট করতে নির্দেশ দিয়েছি। ব্যবস্থা নিচ্ছি। আর মেয়েটির নিরাপত্তার ব্যবস্থা আমরা সাথে সাথে করেছি।
