রাজধানীর উত্তরায় বিআরটি প্রকল্পের নির্মাণাধীন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের গার্ডার চাপায় নিহতরা একই পরিবারের সদস্য এবং বিয়ের যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।
কয়েকটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল, অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গেছে, তারা একটি বৌ ভাতের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর বাড়ি ফিরছিলেন। দুর্ঘটনা কবলিত গাড়িতে বর-কনে হৃদয় (২৬) এবং রিয়ামনি (২১) ছিলেন।
গাড়িটি চালাচ্ছিলেন রুবেল (৫০) যিনি বরের বাবা। এছাড়াও, ঝর্ণা (২৮) নামের এক নারী এবং তার দুই সন্তান জান্নাত (৬) ও জাকারিয়া (২) ওই গাড়ির আরোহী ছিলেন। এদের সবাই দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।

নিহতদের স্বজনরা ঘটনাস্থলে আহাজারি করছেন। উৎসুক জনতার চাপে কুড়িল ফ্লাইওভার থেকে উত্তরাগামী যান চলাচল বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাফিক উপ কমিশনার (উত্তরা) সাইফুল হক। তিনি বলেন, উত্তরা থেকে সীমিত পরিসরে ঢাকার দিকে যান চলাচল করছে।
সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকালে উত্তরার জসীম উদ্দীন এলাকার আড়ংয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশের উত্তরা বিভাগের সহকারি কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল মালিক বলেন, নিহতরা সবাই একটি টয়োটা গাড়িতে ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের গার্ডার ক্রেন দিয়ে সরানোর সময় গাড়ির ওপর পড়ে। প্রাইভেট কার থেকে মোট সাত জনের মধ্যে দুই জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিদের উদ্ধারের কাজ চলছে।
এ ব্যাপারে উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, আরও চারজন ভেতরে চাপা পড়ে রয়েছেন।
জানতে চাইলে বিআরটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি দুর্ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। ক্রেন বিপর্যয়ের কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে বলে শুনেছি।
ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোলরুম থেকে কর্মকর্তা দেওয়ান আজাদ হোসেন বলেন, ক্রেন দিয়ে গার্ডার ওঠানোর সময় প্রাইভেটকারের উপর পড়ে গেলে ছয়জন আহত হন। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করছে বলে তিনি জানান।
