কলেজছাত্রী রোগীকে ধর্ষণের অভিযোগ, চিকিৎসক গ্রেপ্তার

আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০২২, ১২:২৪ এএম

চিকিৎসা নিতে আসা কলেজছাত্রীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে এক চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত রবিবার রাতে সিলেটের ল্যাবএইড হাসপাতাল থেকে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার রামেন্দ্র কুমার সিংহ ওরফে আর কে রয়েল (৫০) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মনোরোগ বিভাগের প্রধান।

আটকের পর তার বিরুদ্ধে গতকাল সোমবার ওই কলেজছাত্রী সিলেট কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে চিকিৎসককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে চিকিৎসক আর কে রয়েল ধর্ষণ করেছেন বলে গত রবিবার রাতে কলেজছাত্রী অভিযোগ করেন। পরে রাতেই ওই চিকিৎসককে আটক করে পুলিশ। মানসিক বিষণœতায় ভোগা ওই ছাত্রী পরামর্শের জন্য গিয়েছিলেন আর কে রয়েলের কাছে। সেই সূত্রে তাদের দুজনের মধ্যে সখ্য গড়ে ওঠে। চার বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল।   

সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘‘রবিবার নগরীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসক রয়েলের চেম্বারে গিয়ে ওই তরুণী (কলেজছাত্রী) চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। এ সময় তরুণী চিকিৎসককে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমাকে এই মুহূর্তে আপনার বিয়ে করতে হবে। আমার গর্ভে আপনার সন্তান।’ এ ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এরপর তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে চিকিৎসক রয়েলকে আটক করা হয়।”

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ আলী মাহমুদ বলেন, ‘ওই কলেজছাত্রী ২০১৮ সাল থেকে চিকিৎসক আর কে রয়েলের কাছে চিকিৎসা নিচ্ছেন। একপর্যায়ে তরুণীর প্রতি চিকিৎসক আসক্ত হয়ে পড়েন। এরপর থেকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে ধর্ষণ করেন বলে ওই ছাত্রী অভিযোগ করেছেন। মেয়েটি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করে এজাহারে তা উল্লেখ করেছেন। ছাত্রীর অভিযোগ, অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর থেকেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন চিকিৎসক। এ জন্য তিনি মামলা করেছেন।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত