প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এ বার কৃষ্ণসাগরের ইউক্রেন উপকূলে পরমাণু বোমা পরীক্ষার আয়োজন করতে চলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মস্কোর একটি সূত্রের বরাতে ব্রিটেনের এলবিসি নামের একটি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পশ্চিমী দুনিয়ার সামনে শক্তি প্রদর্শনের জন্য কৃষ্ণসাগরের গভীরে পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে রাশিয়া।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর ইউক্রেনের চার অধিকৃত অঞ্চল- দোনেৎস্ক, লুহানস্ক (একত্রে যারা ডনবাস নামে পরিচিত) জাপোরিজিয়া এবং খেরসনে গণভোটের ঘোষণা করতে গিয়ে পুতিন জানিয়েছিলেন, প্রয়োজনে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারেও তারা পিছপা হবেন না। এর পর গণভোটের আয়োজন করে ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলকে রাশিয়ার সঙ্গে জুড়ে নেন তিনি।
গতকাল বুধবার ইউক্রেনের প্রায় ১৫ শতাংশ ওই চারটি অঞ্চলে মার্শাল ল জারি করেছেন পুতিন। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে অশান্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেশ চলতি সপ্তাহে আমেরিকা গিয়ে জানিয়েছেন, নতুন করে যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইতিমধ্যেই পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার নিয়ে মস্কোকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।
জাপোরিজিয়া, খেরসন-সহ কিছু এলাকায় গত ১০ অক্টোবর থেকে নতুন করে হামলা শুরু করেছে রুশ সেনারা। সামরিক লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি নির্বিচারের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাতেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতির কথা জানিয়ে বিভিন্ন দেশ তাদের নাগরিকদের ইউক্রেন ছাড়ার ‘পরামর্শ’ দিয়েছে।
