শিক্ষককে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, ছবি: শেকৃবিতে বহিষ্কার ৪ শিক্ষার্থী

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২২, ১০:৪৩ পিএম

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তিন শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে ও এক শিক্ষার্থীকে এক সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

শিক্ষকের সঙ্গে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষককে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং ফেসবুক স্টোরিতে শিক্ষককে নিয়ে আপত্তিকর ও মানহানিকর ছবি দেওয়ায় অভিযোগে তাদের বহিষ্কার করা হয়।

এ ছাড়াও মাদক সংশ্লি­ষ্টতার কারণে এক শিক্ষার্থীকে সতর্ক করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্যের অনুমতিক্রমে রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগে এম এস অধ্যয়নরত সাগর দাস এবং মো. রায়হান আলিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আব্দুল কাইউমের সঙ্গে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করার জন্য স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো। কৃষি সম্প্রসারণ ও ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগে এমএস অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী মো. শাকিলুজ্জামানকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করায় স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। কৃষি অনুষদের লেভেল-২ সেমিস্টার-১ এর শিক্ষার্থী তন্ময় সরকারকে এক সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। প্রাণ রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মো. নুরুদ্দীন মিয়াকে নিয়ে আপত্তিকর ও সম্মানহানিকর ফেসবুক স্টোরি দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেয়া হলো। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে মাদকদ্রব্য পরিবহন এবং সেবন করায় ইনস্টিটিউট অব সিড টেকনোলজিতে এমএস এ অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী আশিস সূত্রধরকে সতর্ক করা হয়।

বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের দাবি তাদের প্রতি অন্যায় করা হয়েছে।

বহিষ্কার হওয়া শিক্ষার্থী তন্ময় সরকার দেশ রূপান্তরকে বলেন, আমি যে স্টোরি দিয়েছিলাম সেখানে স্যারকে মেনশন বা নাম লিখি নাই, এমনকি স্যার আমার ফেসবুকেও ছিল না।

এদিকে বহিষ্কারের নোটিশ প্রকাশ হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা যায়। বহিষ্কৃতরাসহ একদল শিক্ষার্থী বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক ভবনের সামনে জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির দায়িত্বশীল একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কেউ মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত