ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌর এলাকায় নূপুর আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূ স্বামীর হাতে খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে বোয়ালমারী পৌর এলাকার মধ্যেরগাতী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী জানায়, স্ত্রী নূপুরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন স্বামী মুসা মোল্যা। পরে নূপুরকে উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকায় নেওয়ার পথে ভোর ৪টার দিকে মৃত্যু হয় নূপুরের।
স্ত্রীকে কুপিয়ে আহত করার পর থেকে মুসা মোল্যা (৩৫) পলাতক রয়েছেন। তিনি একটি সিগারেট কোম্পানিতে বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ করেন। মুসা মোল্যা বোয়ালমারী পৌরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যেরগাতি এলাকার কাওসার মোল্যার ছেলে।
নিহত নূপুর আক্তার নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার নূর নবী খানের মেয়ে। অল্প বয়সে বাবা মারা যাওয়ার পর থেকেই নূপুর তার মায়ের সঙ্গে নানাবাড়ি মধ্যেরগাতী থাকতেন। মা পারভীন আক্তার মহিলা আওয়ামী লীগের বোয়ালমারী পৌরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি। নূপুর-মুসা দম্পতির ফারিয়া নামে ১৩ বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান রয়েছে। তার সামনেই মা নূপুরকে বাবা মুসা মোল্যা কুপিয়ে জখম করেন বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা। ফারিয়া বোয়ালমারী জর্জ একাডেমির সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।
বোয়ালমারী থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুল ওহাব দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়। নিহত নূপুরের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
