ক্রিকেট প্রেমীদের কাছে সিলেটের আউটার স্টেডিয়ামের উদ্বোধনের দিনটা ভুলার নয়। স্বাগতিক সিলেটের সঙ্গে ঢাকা মেট্রোর ম্যাচে একদিনে ২১ উইকেট দেখেছিলেন দর্শকরা। গত বছরের ১৭ অক্টোবরের সেই রেকর্ড এবার চাপা দিয়েছে বিকেএসপির মাঠ। খুলনা ও ঢাকা মেট্রোর এই ম্যাচে একদিনে ২৩ উইকেট শিকার করেছেন বোলাররা। অন্যদিকে বগুড়ার শহীদ চান্দু ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকা ও রংপুরের ম্যাচে বোলারদের ঝুলিতে একদিনে ২০ উইকেট জমা পড়েছে। তাতে জাতীয় ক্রিকেট লিগের চতুর্থ রাউন্ডের খেলায় প্রথম দিনেই বোলারদের দাপটে ৪৩ উইকেট শিকার হয়েছে।
সাভারে বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে খুলনা-ঢাকা মেট্রোর ম্যাচে প্রথম দিনের খেলায় পড়েছে ২৩ উইকেট! পেসার আর স্পিনাররা সমানতালে দাপট দেখিয়েছেন। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে খুলনা অলআউট হয় মাত্র ৬৪ রানে। দুই স্পিানর শরিফুল্লাহ ও রাকিবুর হাসান দুটি করে উইকেট শিকার করেছেন। তবে পেসার একেএস স্বাধীন শিকার করেছেন চারটি উইকেট।
পরে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ঢাকা মেট্রো অলআউট হয়ে যায় ১১৮ রানে। স্পিনার শেখ মাহেদী হাসান পাঁচ উইকেট শিকার করেছেন। এছাড়া পেসার আশিকুর জামান ও জিয়াউর রহমান দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৮ রানেই ৩ উইকেট নেই খুলনার। সেখানে আবার দেখা গেল পেসারদের দাপট। প্রথম ইনিংসে উইকেটশূন্য থাকলেও দ্বিতীয় ইনিংস দুটি উইকেট শিকার করেছেন পেসার আবু হায়দার রনি, অন্য উইকেটটি নিয়েছেন আশিকুর জামান।
এদিকে বগুড়ার শহীদ চান্দু ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকা-রংপুরের ম্যাচে বোলাররা একদিনে ২০ উইকেট শিকার করেছেন! প্রথম ইনিংসে ঢাকা অলআউট হয় মাত্র ৮৪ রানে। যার সবগুলো উইকেটই জমা পড়েছে পেসারদের হাতে। বাহাতি পেসার সোহেল রানা পাঁচটি, ডানহাতি দুই মিডিয়াম পেসার আরিফুল হক তিনটি ও আব্দুল্লাহ আল মামুন দুটি উইকেট নিয়েছে।
এরপর রংপুর অলআউট ৭৩ রানে। এখানেই সেই পেসারদেরই দাপট। ডানহাতি মিডিয়াম পেসার সুমন খান পাঁচটি, বাহাতি পেসার সালাহউদ্দিন শাকিল তিনটি উইকেট শিকার করেছেন। আরেক পেসার হোসাইন আলির ঝুলিতেও গেছে একটি উইকেট। এছাড়া রংপুরের অধিনায়ক স্পিনার তাইবুর রহমান একটি উইকেট নিয়েছেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৮৮ রান সংগ্রহ করেছে ঢাকা। আব্দুল মজিদ ৩৩ ও মাহিদুল ইসলাম অংকন ৫৪ রান করে অপরাজিত আছেন।
