ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি চায়নি জানিয়ে দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘আমরা সাফ জানিয়ে দিয়েছি; সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অনিরাপদ। আমরা সেখানে কোনো প্রোগ্রাম করবো না। সেটা আমাদের স্টান্ড।’
মঙ্গলবার নয়াপল্টনে ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশের স্থান নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
এ্যানি বলেন, আমরা দায়িত্ব নিয়ে বলেছি; অতীতে বিএনপি অফিসের সামনে অনেক প্রোগ্রাম হয়েছে, মহাসমাবেশ হয়েছে। অফিসের সামনে আমরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে চাই।
‘ডিএমপি কমিশনার বলেছেন, রাস্তায় সমাবেশ দিবে না’ এ বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ডিএমপির অনুরোধে আমরা পরে বলেছি যে, বিএনপির পার্টি অফিসের পাশে আরামবাগ আইডিয়াল স্কুলের সামনে যে স্থানটি রয়েছে, আশপাশের মাঠও আছে। আমাদের সমাবেশের দিনটি বন্ধের দিন। সেখানে আমরা প্রোগ্রাম করতে পারি, বিকল্প হিসেবে। আমরা তাদের কাছে সেই সহযোগিতা কামনা করেছি। আমরা দৃঢ়ভাবে আশাবাদী তারা সেখানে আমাদের সহযোগিতা করবেন।’
আরামবাগে সমাবেশের অনুমতি পেলে কী করবেন? উত্তরে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা তো রাজপথের লোক। সড়ক ছাড়া কোথায় করব। আমরা রাজপথটাকে বেছে নিয়েছি। ইনশাল্লাহ, আমাদেরকে তারা রাজপথে প্রোগ্রাম করতে দিতে বাধ্য হবেন। যদি তা না করেন। তাহলে দায়-দায়িত্ব তাদের উপরে বর্তায়। দায় তাদেরকে নিতে হবে। নয়াপল্টনের এরিয়াতেই আমাদের থাকতে হবে।’
এ্যানি আরও বলেন, আমরা ইতোমধ্যে অনেকবার আমাদের কথাগুলো তুলে ধরেছি ডিএমপিতে লিখিত আকারে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরে নয়াপল্টনে সমাবেশ করব সেই অনুমতি চেয়েছি। এরপরও আমরা ডিএমপির সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি। আমরা বারবার বলেছি, সারাদিন উদ্যান অনিরাপদ।
ডিএমপি থেকে বলা হয়েছে উন্মুক্ত মাঠে দেবেন, সেই মাঠটি কোথায়- এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘একটু দেখে দেন। আমরা তো কোনো উন্মুক্ত মাঠ দেখি না। কারণ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান আর এখন আর উদ্যান নেই। এটি পার্কে পরিণত হয়েছে। আর সেখানে অনেক ধরনের ষড়যন্ত্র লুকায়িত আছে। এটা আমরা জানি-বুঝি। সেই কারণে আমরা মনে করছি এটি অনিরাপদ।’
