বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ইউনেস্কো তালিকায় তুর্কি চা ও মোল্লা নাসিরুদ্দিন

আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:২৫ এএম

তুরস্কের দুটি জিনিসের বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ রয়েছে। এর একটি হচ্ছে চা, অন্যটি নাসিরুদ্দিন হোজ্জার গল্প। ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে এই দুটি ঐতিহ্যবাহী বিষয়। এ নিয়ে ইউনেস্কোর তালিকায় তুরস্কের সাংস্কৃতিক উপাদানের সংখ্যা ২৫-এ পৌঁছাল। মধ্য এশীয় বিশেষ করে তুর্কি আতিথেয়তা ও সামাজিক মিথস্ক্রিয়ার প্রতীক হলো চা। অন্যদিকে, নাসিরুদ্দিন হোজ্জা তুর্কি লোককাহিনীতে অনন্য স্থান দখল করে আছেন। নাসিরুদ্দিন হোজ্জা তথা মোল্লা নাসিরুদ্দিনের নাম অনেকেরই জানা। মধ্যযুগে ত্রয়োদশ শতকে সেলজুক শাসনামলে ইরানের বৃহত্তর খোরাসানে তিনি বসবাস করতেন। মধ্যপ্রাচ্য ও মধ্য এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশও নাসিরুদ্দিনের গল্পগুলোকে তাদের দেশের লোকজসম্পদ বলে দাবি করে। এর মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তান, ইরান, তুরস্ক এবং উজবেকিস্তান। বিভিন্ন সংস্কৃতিতে তার নাম বিভিন্নভাবে উচ্চারিত হয়।

সাধারণত অধিকাংশ সংস্কৃতিতে ‘হোজ্জা’ এবং ‘মোল্লা’ নামে পরিচিত তিনি। তার হাস্যরসাত্মক গল্প ও উক্তিগুলো তাকে বিখ্যাত করে রেখেছে। তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, নাসিরুদ্দিন হোজ্জার সাহিত্যকর্ম ইউনেস্কো মনোনয়নের জন্য আজারবাইজান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও উজবেকিস্তানও আবেদন করেছিল।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত