বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি দক্ষিণ এশিয়ার প্রেক্ষাপটে ইতিবাচক বলে মনে করে মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন এলকপ। এলকপের মতে, ২০২২ সালে পদ্মা সেতু ও মেট্রোরেলসহ ১০০টি সেতু উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশ এক নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটিয়ে মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নত করবে। গতকাল রবিবার গত বছর বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি বলেছে, সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও সার্বিকভাবে জীবনযাত্রার মান বেড়েছে। বাংলাদেশে শতভাগ বিদ্যুতায়ন ঘটেছে।
যুদ্ধের ফলে জ্বালানির বাজার অস্থির হয়ে পড়ায় সাময়িক কিছু সমস্যা হলেও বাংলাদেশ তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবাধিকার রক্ষায় বাংলাদেশ বরাবরের মতো সচেষ্ট ছিল। বৃদ্ধদের ভাতা, গৃহায়ন ইত্যাদি আর্থসামাজিক অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অব্যাহতভাবে কাজ করে গেছে। এলকপের নির্বাহী পরিচালক ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বৈষম্যবিরোধী বিলকে আইন হিসেবে পাস করা, সাক্ষ্য আইনের আপত্তিকর ধারা সংশোধন করা, সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আপত্তিকর ধারাগুলো সংশোধনের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সরকার তাদের এ দাবি ও মানবাধিকার নিয়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে বলেও প্রত্যাশা করেছে এলকপ।
