শরীয়তপুরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কলেজে ছাত্রদের দুই পক্ষে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। পরে দুটি রামদা ও চাইনিজ কুড়াল জব্দ করে পুলিশ।
আহতরা হলেন ছাত্রলীগকর্মী ওই কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্র রাজন আকন, স্বরণ, ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের কাজী সুজন, একাদশ শ্রেণির জাহিদ হাসান, সাফ্ফার, দ্বাদশ শ্রেণির মিনহাজ ও শরীয়তপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী জহিরুল শিকদার।
কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর হারুন অর রশিদ বলেন, সকাল ৯টা থেকে একাদশ শ্রেণির অরিয়েন্টেশন ক্লাস ছিল। ক্লাস শেষে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একটি মিছিল বের হয়। পরে মারামারির ঘটনা ঘটে। আমরা বিষয়টি পুলিশকে জানালে তারা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ওসি (তদন্ত) শরিফুল ইসলাম বলেন, সামান্য একটি ঘটনায় ছাত্রদের মধ্যে মারামারি হয়েছে।
জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মহসিন মাদবর দাবি করেন, ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা কলেজ ক্যাম্পাসে এসে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করে। তখন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ করে। এ সময় ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের আহত করে।
জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেন, ছাত্রদলের কিছু ছেলে কলেজে ঢুকে অরাজকতা সৃষ্টি করবে আগেই শুনেছি। পরে আজ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে কয়েকজন আহত হয়।
