ভারত কেমন করে বাংলাদেশকে গিলে খাবে?
তেহরানের দৈনিক কিয়ান আওয়ামী লীগপ্রধানের যে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে তার ওপর ভিত্তি করে করাচির ডন পত্রিকায় ২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১ প্রকাশিত প্রতিবেদনের একাংশ :
তেহরান, ১৯ ফেব্রুয়ারি : যখন জিজ্ঞেস করা হলো, ফেডারেল পাকিস্তান হওয়ার কারণে ভারত না আবার বাংলাদেশকে ‘খেয়ে ফেলে’ মুজিব হেসে ওঠেন। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করলেন, ‘আজকাল কেউ কাউকে খেয়ে ফেলতে পারে না। ভারত তো তাদের বাংলাকে নিয়ন্ত্রণ করতেই হিমশিম খেয়ে যায়, আমাদের দরিদ্র লোকরা ভেঙে পড়ার পর্যায়ে এলেও তাদের স্বাধীনতা রক্ষা করতে পারবে।’
তিনি বলতে থাকলেন, ‘ভিয়েতনামের দিকে তাকান, আমেরিকার মতো শক্তিশালী দেশ তার ইচ্ছে চাপাতে গিয়ে গরিব কৃষকের মাতৃভূমিতে কত অসহায় হয়ে পড়ছে। আমেরিকা যদি ভিয়েতনামকে খেয়ে ফেলতে না পারে, ভারত কেমন করে বাংলাদেশকে খাবে?’
তিনি বলেন, শুধু পূর্ব পাকিস্তানের নয়, ফেডারেল কাঠামোর আওতায় পশ্চিম পাকিস্তানের সব প্রদেশের অধিকার তিনি নিশ্চিত করতে চান।
তেহরানের দৈনিক কিয়ানের প্রতিনিধিকে ঢাকায় দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমরা চাই সুবিচার ও ঐক্যের ভিত্তিতে সমগ্র জাতি উন্নতি লাভ করুক। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক পাকিস্তানই হবে শক্তিশালী পাকিস্তান। তার পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে শেখ মুজিব বলেন, পররাষ্ট্রনীতি হবে জোটনিরপেক্ষ কিন্তু পৃথিবীর সব দেশের সঙ্গে সক্রিয় বন্ধুত্ব থাকবে।’
শেখ মুজিবুর রহমান জোর দিয়ে বলেন, যারা তাকে বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে, তারা কুৎসা রটনাকারী। তিনি বলেন, পূর্ব পাকিস্তান নিয়ে যেসব ভুল করা হয়েছিল তা সংশোধন করতে পারলে পাকিস্তান শক্তিশালী হয়ে উঠবে, অন্যদিকে বর্তমান প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে পাকিস্তান এত দুর্বল হয়ে পড়বে যে, তা থেকে আর উত্তরণ সম্ভব হবে না।
শেখ মুজিবুর রহমান বলেন, রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে ইসলামাবাদ আর পূর্ব পাকিস্তানের ভবিষ্যতের নির্দেশনা দিতে পারবে না। পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রসঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান বলেন, আমাদের কর্মসূচি শুধু পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নয়। ফেডারেল কাঠামোর আওতায় আমরা চাই পাঞ্জাব, সিন্ধু, বেলুচিস্তান এবং উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের অধিকারও সুরক্ষিত হোক।
বাংলাদেশকে দারিদ্র্যের মধ্যে ফেলে রাখা পশ্চিম পাকিস্তানি ভাইদেরও প্রকৃত স্বার্থের পরিপন্থী। এখন যা স্থানীয় দারিদ্র্য, দীর্ঘ মেয়াদে তা-ই সমগ্র দেশে ছড়িয়ে পড়বে। আমরা চাই ধনবাদী পদ্ধতির যে একচেটিয়াবাদ ও ট্রাস্ট লাখো মানুষের দারিদ্র্যের বিনিময়ে কিছু মানুষকে মোটাসোটা করছে, তার অবসান ঘটুক।
অর্থনৈতিক নীতিমালা : সাক্ষাৎকারের ওপর ভিত্তি করে রচিত প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ মুজিবের অর্থনৈতিক নীতিমালায় প্রধান সেক্টরসমূহ ব্যাংক, ইন্স্যুরেন্স, ভারী শিল্প, বিদেশ-বাণিজ্য, পাট, তুলা, যানবাহন বিশেষ করে জাহাজ পরিবহন পুরোপুরি জাতীয়করণের কথা বলা হয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, এতে কোটারি শক্তি ভেঙে যাবে এবং দেশের ফেডারেল ইউনিটগুলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যার যার অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারবে এবং জনগণ রাষ্ট্রের কর্মকাণ্ড নিয়ে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পাবে।
বিদেশি ঋণ : তার অর্থনৈতিক নীতিমালার আরেকটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে উদারীকরণ, ‘বৈদেশিক ঋণের অভিশপ্ত বোঝা’ থেকে পাকিস্তানকে রক্ষা করা ‘আমরা অতীতে উন্মত্তের মতো বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ করেছি, আমাদের গ্রহণ করা ঋণে কিছুসংখ্যক পুঁজিবাদী এবং প্রশাসনে তাদের এজেন্টরা পুষ্ট হয়েছে আর ঋণের বোঝা ও ঋণের সুদের বোঝা বহন করতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে।
তিনি চান ফেডারেল সরকার পূর্ণ কর্মসংস্থান, খাদ্যসহ মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং ইরানের ‘লিটারেসি কোর’-এর মতো সংগঠনের মাধ্যমে দারিদ্র্যবিমোচনের গ্যারান্টি দিক। তার পররাষ্ট্রনীতি জোটনিরপেক্ষ থাকার এবং পৃথিবীর সব জাতির সঙ্গে বন্ধুত্ব রক্ষার এবং আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যা নিষ্পত্তি করার।
তিনি চান পাকিস্তান ‘সেন্টো’ এবং ‘সিয়োটো’ থেকে বেরিয়ে আসুক, তবে তিনি চান পাকিস্তান, ইরান ও তুরস্কের একত্রে থাকার আরসিডি গ্রুপ থাকুক এবং বিশেষ করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর অংশগ্রহণে তো আরও বড় হোক।
কাশ্মীরবিরোধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একনায়কত্বের দোহাই দিতে এবং সমরাস্ত্রের জন্য বিপুল ব্যয় করতে সামরিক বাহিনী ও পুঁজিবাদীরা কাশ্মীরকে ব্যবহার করছে। ‘তবুও’ জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের জন্য আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করিনি।’
মুজিব ভারতের সঙ্গে সর্বোত্তম সম্পর্ক রক্ষা করতে চান। তিনি বলেন, ‘আমরা একই উপমহাদেশের ভাগীদার। পছন্দ হোক বা না হোক আমাদের একসঙ্গে থাকতে হবে, একসঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে হবে।
চীনের সঙ্গে বন্ধুত্ব : চীনের সঙ্গে বন্ধুত্ব মুজিবের পররাষ্ট্রনীতির অংশ। ভৌগোলিক অবস্থান এবং নীতিই বন্ধু নির্ধারণ করে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘কিন্তু তার মানে এই নয় আমাদের পদ্ধতি ও দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। আমরা মুসলমান এবং আমরা কখনো কমিউনিজম গ্রহণ করব না।’ ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুজিব বলেন, ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক এবং আবেগময় বন্ধনে দুদেশ এমন দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ যে এ নিয়ে বেশি কথা বলার প্রয়োজন নেই এবং এই দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশকে কেউই বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না।
শেখ মুজিব পার্লামেন্টারি পার্টির নেতা নির্বাচিত
আওয়ামী লীগ পার্লামেন্টারি পার্টির ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১-এর বৈঠকের কার্যবিবরণীর ওপর ভিত্তি করে ১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১ পাকিস্তান অবজারভারের প্রতিবেদন :
শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগ পার্লামেন্টারি পার্টির নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নজরুল ইসলাম ডেপুটি লিডার এবং নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের জেনারেল সেক্রেটারি এ এইচ এম কামারুজ্জামান পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়েছেন। দিনাজপুরের ইউসুফ আলীকে পার্টির চিফ হুইপ এবং টাঙ্গাইলের আবদুল মান্নান এবং কুষ্টিয়ার আমিরুল ইসলামকে হুইপ নির্বাচিত করা হয়েছে।
জাতীয় পরিষদ সদস্যদের আড়াই ঘণ্টার বদ্ধ-দুয়ার বৈঠকের পর পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের জেনারেল সেক্রেটারি তাজউদ্দীন আহমদ অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের শুধু পার্লামেন্টারি পার্টিতে নির্বাচিতদের নাম বলেন কিন্তু সভার অন্য কোনো বিষয় সম্পর্কে তিনি মুখ খোলেননি। আওয়ামী লীগ সভার আলোচ্য বিষয় নিয়ে মুখ না খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে অনুমিত হচ্ছে।
পার্টিপ্রধান শেখ মুজিবুর রহমান দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি জাতীয় পরিষদ সদস্যদের অবহিত করেছেন। কায়েমি স্বার্থবাদী মহল শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর ভ-ুল করে দেওয়ার যে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সে প্রেক্ষাপটে তার পার্টির করণীয় সম্পর্কে তিনি পরিষদ সদস্যদের কাছে ব্যাখ্যা করেছেন বলে জানা গেছে।
সভা শেষ হলে শেখ মুজিবুর রহমান উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক কথাবার্তা বলেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি পেশোয়ারের সভায় ভুট্টো জাতীয় পরিষদ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার যে শর্ত আরোপ করেন সে সম্পর্কে মন্তব্য করতে বলা হলে আওয়ামী লীগ নেতা বললেন, তিনি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছেন। আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ সংবিধান প্রণয়নের প্রশ্নে তার দলের কী অবস্থান হবে, তা তিনি সোমবার জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদ সদস্যদের যৌথসভায় ব্যাখ্যা করেছেন।
আওয়ামী লীগ পার্লামেন্টারি পার্টি খন্দকার মোশতাক আহমেদকে জাতীয় পরিষদের স্পিকার মনোনীত করতে পারে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে মোশতাকের ভক্তদের পছন্দ তার জন্য মন্ত্রীর পদ। তারা মনে করেন, স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন তাকে পার্টি কার্যক্রম থেকে সরিয়ে নেবে।
সম্ভাব্য মন্ত্রীরা
আগামী দিনের মন্ত্রী কারা হবেন তা নিয়ে দলের ভেতরের অনুমান এখন প্রায় চূড়ান্ত হয়ে আসছে। পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি জেনারেল তাজউদ্দীন আহমদকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদ দেওয়া হবে বলেই পার্লামেন্টারি পার্টিতে তাকে কোনো পদে বসানো হয়নি।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আর যারা স্থান পেতে পারেন তাদের মধ্যে রয়েছেন কর্নেল ওসমানী, মশিউর রহমান, কামারুজ্জামান, এম আর সিদ্দিকী, ডক্টর কামাল হোসেন এবং মোহাম্মদ ইদ্রিস।
সিদ্দিকী এবং ইদ্রিস উভয়েই চট্টগ্রামের বলে তাদের একজনকে মন্ত্রিসভায় নেওয়া হতে পারে। মন্ত্রী পদপ্রত্যাশী অন্যদের প্রাদেশিক মন্ত্রিসভায় রাখার কিংবা বিদেশে, করপোরেশনে, ব্যাংক বা কমিশনে পদায়নের আশ^াস দেওয়া হচ্ছে। পূর্ব পাকিস্তান পরিষদে বিরোধীদলীয় সাবেক নেতা আবদুল মালেক উকিলকে জাতীয় পরিষদে ডেপুটি স্পিকারের পদটি দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
সমঝোতার পথ খোলা নেই
পাকিস্তান পিপলস পার্টির প্রদান জুলফিকার আলী ভুট্টো ১৭ ফেব্রুয়ারি করাচিতে সংবাদ সম্মেলনে যে বিবৃতি দেন এবং যেসব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তার ওপর ভিত্তি করে ১৮ ফেব্রুয়ারি করাচির ডন-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনের অনুবাদ :
পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান জেড এ ভুট্টো গতকাল আবারও বলেছেন, দেশের জন্য উপযোগী একটি সংবিধান যদি প্রণয়ন করতে হয় তাহলে সংবিধান প্রণয়নে সবার অংশ থাকতে হবে।
করাচিতে পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে ৩ মার্চ থেকে ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পরিষদ অধিবেশনে পিপলস পার্টি যোগদান অর্থহীন হবে। যে সংবিধান প্রণয়নে জাতীয় পরিষদ সদস্যদের কোনো ভূমিকা নেই, সেখানে নির্বাচিত সদস্যরা ঢাকা পর্যন্ত গিয়ে এরই মধ্যে তৈরি করা সংবিধানে শুধু সম্মতি জানিয়ে আসতে পারেন না।’
তিনি বলেন, পাকিস্তানের প্রতি ভারতের যুদ্ধংদেহী মনোভাব পশ্চিম পাকিস্তানের অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। লাহোর সীমান্ত এবং পাশর্^বর্তী অঞ্চলে ভারতীয় সৈন্যবাহিনী চলাচল করছে এবং ভারতের রাজনৈতিক দলগুলো পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান গ্রহণের জন্য বক্তব্য প্রদানে একটি অন্যটিকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
ভুট্টো বলেন, অতীতে এ ধরনের পরিস্থিতি থেকেই ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ বেধেছে। শুধু দেশের ভেতরেই যে সংকটাপন্ন অবস্থার সৃষ্টি হবে তা নয়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিশেষ করে লাওসের অবস্থা বিবেচনা করলে পরিস্থিতি জটিলতা অনুধাবন করা যাবে।
ভুট্টো বলেন, তার পার্টির প্রকাশ্য যে অভিমত তার প্রেক্ষাপটে দলের জাতীয় পরিষদ সদস্যদের বর্তমান পরিস্থিতিতে ঢাকা যাওয়া খুব সহজ কাজ নয়। এ অবস্থায় পার্টির সদস্যদের প্রধান দায়িত্ব তাদের জনগণের পাশে দাঁড়ানো। ভুট্টো বলেন, তার পার্টি ছাত্রদের সব দাবি মেনে নিয়েছে। ১১ দফার ১০টি দফাই মেনে নিয়েছে। একাদশ দফা আসলে ছয় দফার অংশ।
তিনি বলেন, তার দলের অধিবেশনে যোগদান না করার সিদ্ধান্তে বর্তমান সরকারের কোনো আশীর্বাদ নেই। ‘দৃশ্যের আড়ালে’ তার সঙ্গে অন্য কারও কোনো চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার প্রশ্নই আসে না।
তিনি আরও বলেন, এ অবস্থায় সংসদ ‘কসাইখানায়’ পরিণত হবে। আওয়ামী লীগের ছয় দফার মধ্যে সবচেয়ে জটিল বৈদেশিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক সহায়তা প্রাসঙ্গিক অংশ।
লেখক: কথাসাহিত্যিক ও অনুবাদক
