ঈদের ছুটিতে হিলিতে যাত্রী পারাপার বেড়েছে

আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২৩, ০১:০৩ এএম

অন্যান্যবারের চেয়ে ঈদুল ফিতরের ছুটি এবার বেশি হওয়ায় দিনাজপুরের হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বেড়েছে যাত্রী পারাপার। কেউবা যাচ্ছেন ভারতে থাকা আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে, আবার কেউবা যাচ্ছেন ভ্রমণ করতে। দেশে আসার চেয়ে ভারতে যাওয়ার সংখ্যা বেশি। যাত্রী পারাপারের সংখ্যা বাড়ায় সরকারের রাজস্ব আহরণ বেড়েছে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্র্তৃপক্ষ।

হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই চেকপোস্ট দিয়ে ব্যবসা, চিকিৎসা, ভ্রমণসহ নানা কাজে স্বাভাবিক সময়ে গড়ে প্রতিদিন ৪০০-৪৫০ পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার হয়ে থাকেন। তবে গত বুধবার থেকে এ সংখ্যা বেড়ে ৬০০-৬৫০ যাত্রী পারাপার হচ্ছেন।

ভারতগামী যাত্রী আবদুর রহিম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমাদের অনেক আত্মীয়স্বজন ভারতে থাকে। কিন্তু চাকরির জন্য সময় না পাওয়ায় আমরা যেমন ভারতে যেতে পারি না, তেমনি তারাও আমাদের দেশে আসতে পারে না। বেশ কিছুদিন ধরে তাদের সঙ্গে শুধু ফোনে কথা হয়। কিন্তু এবারে ঈদ উপলক্ষে পাঁচ দিনের লম্বা ছুটি পেয়েছি। তাই নিয়ত করেছিলাম ভারতে গিয়ে আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে এবারের ঈদটা উদযাপন করব। ভিসাও আগে থেকে করা ছিল, যার কারণে পরিবার নিয়ে ভারতে যাচ্ছি।’

ভারতগামী আরেক যাত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমাদের বাড়ি বগুড়ায়। প্রতি বছর তো দেশেই পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করে থাকি। এবার আমরা পাঁচ বন্ধু মিলে পরিকল্পনা করেছিলাম ভারতে গিয়ে ঈদ উদযাপন করব। বিশেষ করে ভারতের আগ্রার তাজমহলে গিয়ে ঈদের নামাজ আদায় করার ইচ্ছা রয়েছে। আমাদের ভিসা পেতে তেমন একটা অসুবিধা হয়নি, কিন্তু ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে বেশ সময় ধরে গরমের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকাটা কষ্টকর।’

হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আশরাফুল বলেন, ‘গতকাল (বুধবার) থেকে যাত্রী পারাপারের সংখ্যা বেড়েছে। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে একশ থেকে দেড়শ যাত্রী পারাপার বেড়েছে। আমরা দ্রুততার সঙ্গে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পূর্ণ করে যাত্রীদের গমনাগমনের অনুমতি দিচ্ছি। আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী যাত্রীসেবা দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের নতুন ভবন তৈরি হবে, তখন যাত্রীসেবার মান আরও বাড়ানো হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত