নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উল্টোপথে পদ্মা সেতুতে উঠে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন এক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক। রবিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সেতুর ২১ ও ২২ নম্বর পিলারের মাঝামাঝি থেকে তিনি ঝাঁপ দেন। ওই চালককে উদ্ধারে কাজ করছে নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। ১১ ঘণ্টা পার হলেও এখনও উদ্ধার হয়নি অটোরিকশাচালক।
মাদারীপুরের চর জানাজাত নৌ-পুলিশ ইনচার্জ মো. জাহানুর আলী ফোনে জানান, ওই অটোরিকশাচালক মাওয়া প্রান্ত হয়ে উল্টাপথে সেতুতে উঠে যান। তখন সেতুর সড়ক নিরাপত্তার দায়িত্বরত সদস্যরা চালককে ধাওয়া করলে দ্রুতগতিতে অটোরিকশা চালান তিনি। বিপরিত দিক থেকে একটা ট্রাক আসতে দেখে ওই চালক সেতুর ২১ ও ২২ নম্বর পিলারের মাঝামাঝি অটোরিকশা রেখে নদীতে ঝাঁপ দেন। যেখানে ঝাঁপ দেন ওই এলাকার নাম চরচান্দা। এটা মাদারীপুর জেলায় অবস্থিত। সোমবার দুপুর দেড়টা পর্যন্ত তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া তার নাম-পরিচয়ও পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, আমরা সেতুর নিরাপত্তা দায়িত্বরত সদস্যসের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা জানান, তাদের ধারণা ওই চালক মানুসিক ভারসাম্যহীন। তিনি আরও বলেন, রাত থেকেই আমরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। ওই চালককে না পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমারত হোসেন মোবাইল ফোনে বলেন, মধ্যরাতে পদ্মা সেতুর ওপর থেকে এক অটোরিকশা চালক নদীতে ঝাঁপ দিয়েছে শুনেছি। এখন নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা উদ্ধার অভিযান করছেন।
পদ্মা সেতু উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন জানান, ওই অটোরিকশাটি থানায় নিয়ে এসেছি। ঘটনাটি মাদারীপুর এড়িয়ায়। নিখোঁজ চালকের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজার ম্যানেজার কামাল হোসেন বলেন, এক অটোরিকশাচালক পদ্মা সেতু থেকে ঝাঁপ দেয় নদীতে। বিষয়টি আমি জানি। পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে উল্টোপথে দিয়ে তিনি উঠলে সড়ক নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে ধরতে চেষ্টা করে। তখন তিনি অটোরিকশা রেখে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েন।
