দেশ রূপান্তরে প্রতিবেদন

পেকুয়ার সেই প্রকল্পের বাড়তি বরাদ্দ ফেরত

আপডেট : ২৮ জুন ২০২৩, ০১:৩৫ এএম

কক্সবাজারের পেকুয়ায় মাটির বাঁধ নির্মাণে প্রয়োজনের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি বরাদ্দ করা খাদ্যশস্য অবশেষে সরকারি ভা-ারে ফেরত নেওয়া হয়েছে। বাঁধটি নির্মাণে ৩০ লাখ টাকা ব্যয় হলেও প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল প্রায় এক কোটি টাকা সমমূল্যের গম। বিষয়টি নিয়ে গত ২৫ জুন দেশ রূপান্তরে ‘ব্যয় ৩০ লাখ টাকা, বরাদ্দ এক কোটি!’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ হলে জেলাজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পেকুয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় থেকে বরাদ্দ করা বাড়তি গম ছাড় করার অনাপত্তিপত্র না দিয়ে তা সরকারি ভা-ারে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গত সপ্তাহে মাটির বাঁধ নির্মাণের ওই প্রকল্পে বরাদ্দ করা ২০০ টন খাদ্যশস্যের মধ্যে ১০০ টন খাদ্যশস্য গোপনে উত্তোলন করে কালোবাজারে বিক্রি করে দেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও টইটং ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাজি শাহাব উদ্দিন। এ নিয়ে দেশ রূপান্তরে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বরাদ্দের আরও ১০০ টন গমছাড় আটকে দেয় পেকুয়া পিআইও কার্যালয়। গত ২৫ ও ২৬ জুন দিনভর বরাদ্দের আরও ১০০ টন গম চকরিয়া খাদ্যগুদাম থেকে উত্তোলনের চেষ্টা করলেও প্রকল্প কমিটিকে বরাদ্দের ছাড়পত্র দেয়নি পিআইও কার্যালয়।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পেকুয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আবু তাহের বলেন, ‘দেশ রূপান্তরে প্রকাশিত সংবাদটি আমার কার্যালয়ের নজরে এসেছে। এরপর প্রকল্পটি নিয়ে সর্বত্র সমালোচনার সৃষ্টি হওয়ায় এবং টইটং ইউনিয়নের টইটং-সোনাইছড়ি খালে বাঁধ নির্মাণে বরাদ্দ বেশি হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষের নির্দেশে ১০০ টন খাদ্যশস্যের বরাদ্দের ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। ওই খাদ্যশস্য সরকারি ভা-ারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। প্রকল্প কমিটি আর তা উত্তোলন করতে পারবে না।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত