জয়পুরহাটে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ ও বিএনপির পদযাত্রা চলাকালে দুই দলে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশ, পথচারীসহ উভয় দলের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। এ সময় পাঁচ রাউন্ড শটগানের ফাঁকা গুলি করে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগের বিক্ষুব্ধ কর্মীরা জেলা বিএনপির অফিস ভাঙচুর করেন। বর্তমানে শহরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশের মিছিল শহরের পাঁচুরমোড়ে এসে পৌঁছালে পশ্চিম দিক থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা স্লোগান দিয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে আওয়ামী লীগের মিছিলে। এরপর দু’পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় সাত পুলিশ সদস্যসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আহত হন। পরে বিক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জেলা বিএনপির অফিস ভাঙচুর করেন। এর মধ্যে একজন গুরুতর আহত হলে তাকে বগুড়া মেডিকেলে পাঠানো হয়। অন্যরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
অপর দিকে বিএনপি নেতাদের দাবি তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হচ্ছে, তাদের ২৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ ঘটনায় আমাদের ২৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজনে বগুড়া মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মন্ডল বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আওয়ামী লীগ গের শান্তি সমাবেশের শোভাযাত্রাটি দলীয় কার্যালয়ে আসার সময় পেছনের অংশের নেতাকর্মীদের ওপর বিএনপি নেতাকর্মীরা রেললাইনের পাথর ছুড়লে সংঘর্ষ হয়। এতে আমাদের অন্তত ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়।
জয়পুরহাট সদর থানার ওসি হুমায়ন কবির জানান, পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ এসে ফাঁকা গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় সাত পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।
