জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে

আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০২৩, ০৮:১৫ পিএম

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না সরকার। প্রথম মাস জুলাই শেষে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে সরকারের মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৬ শতাংশের মধ্যে।

রবিবার (৬ আগস্ট) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে মূল্যস্ফীতির এ তথ্য উঠে এসেছে।

হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা যায়, বছরের প্রথম মাসে মূল্যস্ফীতির হার ৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ, আগের মাসেও প্রায় একই হারে ছিল, ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ। দ্রব্যমূল্যের কেনাকাটায় জুলাই মাসে শহরের মানুষের চেয়ে গ্রামের মানুষের কষ্ট হয়েছে বেশি। শহরের চেয়ে গ্রামে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেশি।

জুলাই মাসে ৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ সার্বিক মূল্যস্ফীতির অর্থ হলো ২০২২ সালের জুলাই মাসে দেশের মানুষ যে পণ্য বা সেবা ১০০ টাকায় পেয়েছিল, এই বছরের জুলাইয়ে তা কিনতে ১০৯ টাকা ৬৯ পয়সা খরচ করতে হয়েছে।

বিশ্বের অধিকাংশ দেশে মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনতে সক্ষম হলেও বাংলাদেশে কোনোভাবেই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না। সরকার, ব্যবসায়ী হতে শুরু করে সব মহলেরই মূল্যস্ফীতি বেশি হওয়ার ব্যাখ্যা হিসেবে উপস্থিত থাকে ‘রাশিয়া-ইউক্রেন’ যুদ্ধ। যদিও বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ তাদের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

ট্রেড ইকনোমিকসের তথ্যমতে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের চেয়ে এ মুহূর্তে বেশি মূল্যস্ফীতি রয়েছে পাশের দেশ মিয়ানমার ও পাকিস্তানে।

আফগানিস্তানে জুন শেষে মূল্যস্ফীতি মাইনাস ২ দশমিক ৮ শতাংশ, ২০২২ সালে দেউলিয়া হয়ে পড়া শ্রীলঙ্কায় ৬ দশমিক ৩ শতাংশ। অথচ শ্রীলঙ্কায় আগের মাসেও মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১২ শতাংশের ওপরে। মাসের ব্যবধানে প্রায় অর্ধেক কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার আলোচিত এ দেশটি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত