গ্রামীণ সড়কে সেতু-কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পে ধীরগতিতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় ব্যর্থ হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে তারা। এ ছাড়া সেতু-কালভার্ট নির্মাণে আলাদা না দিয়ে প্যাকেজের মাধ্যমে দরপত্র আহ্বানের ব্যাখ্যাও চাওয়া হয়েছে কমিটির পক্ষ থেকে। পরে কমিটি একক ইউনিট হিসেবে দরপত্র দেওয়ার সুপারিশ করে।
অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, গত জুন মাসে কমিটির বৈঠকে ‘গ্রামীণ রাস্তায় ১৫ মিটার দৈর্ঘ্য পর্যন্ত সেতু বা কালভার্ট নির্মাণ (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পে নিয়ে আলোচনা হয়। গতকাল সোমবার কমিটির বৈঠকে ওই আলোচনার কার্যবিবরণী উপস্থাপন ও অনুমোদন দেওয়া হয়।
জানা গেছে, কমিটির সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরী প্রকল্পটি নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করেন। তিনি বলেন, গ্রামীণ রাস্তার ১৫ মিটার দৈর্ঘ্য পর্যন্ত সেতু-কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পে গত চার বছরে ৫০ শতাংশ কাজ হয়েছে। এ প্রকল্পে মন্ত্রণালয় ব্যর্থ হয়েছে। সময়মতো কাজ শেষ করতে পারেনি। আগে একেকটা ব্রিজে একেকটা টেন্ডার হতো। কিন্তু এ বছর দেখা গেল, অনেকগুলো ব্রিজ নিয়ে একটা প্যাকেজ করা হয়েছে। এতে করে কাজের গতি আসবে না। এ বছর কেন প্যাকেজ, তিনি তার ব্যাখ্যা জানতে চান।
কমিটির অন্য দুই সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খান এবং খাদিজাতুল আনোয়ারও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। পরে প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম কমিটিকে প্যাকেজ টেন্ডার আহ্বানের কারণ ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, ডিপিপিতে ইজিপির মাধ্যমে টেন্ডার আহ্বান করার কথা ছিল। উপজেলা পর্যায়ে দরপত্র আহ্বান করতে হয়েছে বলে তারা অফলাইনে টেন্ডার করেছিলেন।
সভাপতি মো. আবদুস শহীদের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে গতকালের বৈঠকে কমিটির সদস্য চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, এ বি তাজুল ইসলাম, ফজলে হোসেন বাদশা, বজলুল হক হারুন, আহসান আদেলুর রহমান ও খাদিজাতুল আনোয়ার অংশগ্রহণ করেন।
